Skip to main content

Posts

Showing posts from April 19, 2011

হাসির বাক্স

অনেক অনেক মিনিট আগের কথা। এক গ্রামে বাস করতো বোকা মেয়ে সুমি। তাকে যে যা বলত সে তখন তাই করতো। একদিন শিক্ষক ক্লাসে সবার কাছ থেকে পড়া নিচ্ছেন। সব ছাত্ররা পড়া দিয়েছে, কিন্তু মেয়েদের মধ্যে দুই একজন ছাড়া কেউ পড়া দিতে পারল না। তখন শিক্ষক বলল- গত কাল আমি এত কষ্ট করে কিসের লেকচার দিয়েছি। অথচ সবাই পড়া দিতে পারে নাই। আমি কি বলেছি, আর তোমরা কি শুনেছ ? এক কান দিয়ে আমার কথা মথায় ঢুকে আর অন্য কান দিয়ে আমার কথা বেরিয়ে যায়। আগামিতে তোমরা এক কানের মধ্যে তুলা দিয়ে আসবে। তাহলে আর এক কান দিয়ে কথা ঢুকলে অন্য কান দিয়ে কথা বেরিয়ে যাবে না। সেই কথা শুনে বোকা সুমি পরের দিন কানে তুলা দিয়ে ক্লাসে আসল, সেই দিন আবার স্কুলে অফিসার আসল। যখন অফিসার দেখতে পেল সুমির কানে তুলা, তখন অফিসার সুমিকে বলল- তোমার কানে তুলা কেন ? কানে কোন সমস্যা আছে নাকি ? বোকা সুমি তখন বলল- না, কোন সমস্যা নেই। স্যার বলছে কানে তুলা দিয়ে আসতে, তাই। সংগ্রহে : রাছেল আল ইমরান এম এম এ কাদের একাডেমী ছেলে নতুন মোটরসাইকেল কিনেছে। তো মা-বাবার ইচ্ছা হল ছেলের মোটর সাইকেলে করে কোন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো। ছেলে রাজী হয়ে গেল। পথিমধ্যে সে খুব জোরে মোটরসাইকেল চালালো।...

ছেলে বেলার গল্প ।। জহির রহমান

ছেলে বেলার ছবি গুলি ভেসে উঠে নয়নে, মনের মাঝে লুকিয়ে ছিল কত কি যে গোপনে ! অ আ পড়া আর দুষ্টুমি রত, ঝগড়া ফ্যাসাদ করে কত সময় করেছি যে ক্ষত ! কোথা গেল সেসব সোনালী দিন, তা তা তৈ থৈ থৈ তাধিন তাধিন। কানামাছি ভৌঁ ভৌঁ আরও কত খেলা, খেলা আর ম্যালার মাঝে কাটিয়ে দিতাম বেলা; স্কুল পালানো আর ঘুড়ি উড়ানো এসব কথা বাজে এখন বহুত আগের পুরনো। এমন দিন বুঝি ফিরিবে না আর; খেলা শেষে ফিরে যেতাম বাড়ি বাড়ি যার।

পহেলা বৈশাখ ।। জহির রহমান

সে অনেক আগের কথা, কয়েক পুরুষ আগের কথা। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা যা কিছু দেখতেন, সম্মোহিত হতেন, সবকিছুর সম্মানের কাছে, সব কিছূর শক্তির কাছে তারা নিজেদেরকে নিতান্ত ক্ষুদ্র মনে করতেন। সাপ-বিচ্ছু থেকে শুরু করে বস্তুজগতের এমন কোন শক্তি কিংবা প্রাণের অস্তিত্ব ছিল না যা মানুষের পূজার সামগ্রীতে পরিণত হয় নি। আমাদের পূর্বপুরুষেরা মানুষের ভেতর সৃষ্টিকরে রেখেছিল শ্রেণীভেদ, একের স্পর্শে অন্যের পবিত্রতা নষ্ট হতো, একের উপস্থিতিতে অন্যের আসবাবপত্র, বাসন কোসন সবকিছু অপবিত্র হতো। তখনকার সমাজে ইশ্বরের বানীও ছিল গুটিকয়েক মানুষের সম্পত্তি, ইশ্বরের বানী শোনার অধিকার ছিল সংরক্ষিত। তাই তো কারো কানে ইশ্বরের বানী ভুলেও পৌঁছুলে তাকে গুনতে হতো চরম মাশুল, গলিত সীসায় বন্ধ করে দেয়া হতো তার কান । সে সময়ে, আরবে এক জোতির্ময় পুরুষ এলেন, যিনি শেখালেন মানুষের প্রকৃত পরিচয়। আর দশটা জীবের মতো মানুষও সাধারণ কোন প্রানী নয় বরং মানুষের পরিচয় হলো মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, আশরাফুল মাখলুকাত। তিনি এসে শোনালেন সাম্যের গান। মানুষে মানুষে নেই কোন ভেদাভেদ, সবাই এক আল্লাহরই বান্দা, তিনি শেখালেন । তার আগমনে বিশ্বের কোনে কোনে পরে সাড়া, সে সত্য...

এপ্রিল ফুল ।। শাহাদাত হোসাইন সাদিক

এপ্রিল ফুল বাক্যটা মূলত ইংরেজী। অর্থ এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের এক হৃদয় বিদারক ঘটনা। প্রতি বছর পহেলা এপ্রিল এলেই একে অপরকে বোকা বানানো এবং নিজেকে চালাক প্রতিপন্ন করার জন্য এক শ্রেণীর লোকদের বিশেষভাবে তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। বলা বাহুল্য যে তারা অপরকে বোকা বানিয়ে নিজেরা আনন্দ উপভোগ করে থাকেন। দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় সর্বাধিক দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এই যে, সরল প্রাণ মুসলমানগণ ধোঁকা-বাজির করুন শিকারে উপনীত হয়েছিল এইদিন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ মুসলিম জাতির এক শ্রেণীর লোকেরা সে ইতিহাস ভুলে গিয়ে এপ্রিলের দিনটিকে স্বাচ্ছন্দে অংশ গ্রহণ করছেন এবং প্রচুর কৌতুক ও রসিকতা উপভোগ করছেন। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই আনন্দ উল্লাস উপভোগ করা হচ্ছে তা যে কত ভয়াবহ, কত নিষ্ঠুর, কত হৃদয় বিদারক, সে কথা ভাবতে অবাক হই, আর দেহ-মন হয়ে উঠে শিহরিয়ে। ৭১১ খৃস্টাব্দ মুসলিম নৌবহর ভূমধ্য সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে বীরসেনানী নাবিক তারিক ঘোষণা দিয়ে ছিলেন যে, হে মুসলিম বাহিনী তোমাদের সম্মুখে শত্রুসেনা এবং পশ্চাতে ভূমধ্য সাগরের উত্তাল তরঙ্গ মালা, তোমরা কি ভূমধ্য সাগরে ডুবে নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করতে চাও? নাকি অত্যাচারি ...