Skip to main content

Posts

Showing posts from January 3, 2014

মত-দ্বিমত- প্লিজ, এ নির্বাচন করবেন না by মাহ্ফুজ আনাম

গত শুক্রবার এই আবেদনটি জানিয়েছিলাম। আজ আবারও তা পেশ করছি। এটা আমরা করছি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, সংবিধানের প্রতি জনগণের বিশ্বাস ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি ভোটারদের আস্থা ধরে রাখায় আমাদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা চলতে থাকলে অর্থনীতির ওপর যে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে, তা এড়ানোর লক্ষ্য থেকেও আমরা এটা করছি। ক. নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দলের উচিত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন অনুষ্ঠান থেকে বিরত হওয়া। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনগত ভিত্তিগুলো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। খ. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশন পুনরায় ডাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ জানাতে পারেন এবং রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে ঐকমত্য সৃষ্টি করতে পারেন। গ. উল্লিখিত উদ্দেশ্যে যদি নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশন আবার ডাকা হয়, তাহলে বিরোধী দলের উচিত হবে, কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই তাতে যোগ দেওয়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করা এবং হরতাল, অবরোধসহ এ ধরনের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা। ঘ. জামায়াতের অংশগ্রহণ অবশ্যই হতে হবে হাইকোর্টের রায়ের সঙ্গে সংগ...

যেন ভুলে না যাই by সাযযাদ কাদির

পুরনো বছরকে বিদায়, আর নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এই সময়টায় এক-দু’বার তাকাই পিছন ফিরে। দেখি, কি ফেলে এলাম, আর যাচ্ছি কোন দিকে। তবে বেশি করে মনে পড়ে হারিয়ে যাওয়া স্বজন-প্রিয়জনের মুখ। ২০১৩ সালে হারিয়েছি তাঁদের অনেককে। বছরের প্রথম দিকে, ১৫ই জানুয়ারি, চলে গেছেন প্রিয় কথাশিল্পী আবদুশ শাকুর। ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। সংগীত থেকে গোলাপ, আরও অনেক বিষয়ে ছিলেন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব। ১৯৬১ সালে মুগ্ধ হয়েছিলাম তাঁর যতিচিহ্নহীন গল্পগ্রন্থ ‘ক্ষীয়মাণ’ পড়ে। পরিচয় ১৯৭৬ সালে ‘বিচিত্রা’য়। সেই থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় সম্পাদনা-সূত্রে তাঁকে পেয়েছি ঔপন্যাসিক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, কলামনিস্ট হিসেবে। তাঁর কারণেই একবার ‘ঈদ-উত্তর বিশেষ সংখ্যা’ ছাপতে হয়েছিল ‘বিচিত্রা’র। পরে তা একটি ধারাই সৃষ্টি করে প্রকাশনায়। রংপুরে বিভিন্ন সাহিত্য-উৎসবে গিয়ে পরিচিত হয়েছিলাম শতবর্ষী কবি নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ-এর সঙ্গে। পরিচিত ছিলেন স্বভাবকবি হিসেবে। জন্ম রংপুর শহরের অদূরে বাবুখাঁ গ্রামে। ২০শে জানুয়ারি চলে গেছেন তিনি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু চলচ্চিত্র-ব্যক্তিত্ব আকন্দ সানোয়ার মুর্শেদ-কে হারিয়েছ...

সরল গরল- দশম সংসদ বৈধতা পাবে না by মিজানুর রহমান খান

বৈধতার প্রশ্ন উঠেছে এবং ৫ জানুয়ারির পরে কেবল রাজনৈতিক বৈধতা নয়, সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্নও উঠবে। ইতিমধ্যে দিল্লিতে গত ৩১ ডিসেম্বর ভারতীয় সাংবাদিকেরা তাঁদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে বৈধতার প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশ্নটি সরল, কিন্তু উত্তর গরল। তাই মুখপাত্র এর উত্তর দেননি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘জনাব, ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন হচ্ছে। এখন এটা স্পষ্ট যে বিরোধী দল অংশ নিচ্ছে না। এই নির্বাচনের বৈধতার প্রশ্নে আমাদের কি কোনো মন্তব্য রয়েছে?’ মুখপাত্রটি প্রবাদের ‘গরু রচনা’ মুখস্থ বলেছেন। জবরদস্তি গরু টেনে নদীতে ফেলেছেন। বলেছেন, ‘এতে বিস্ময়ের কিছু নেই যে, দুই দেশের ভালোমন্দে পরস্পরের বৈধ স্বার্থ রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আবারও বলেন, ‘সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই নির্বাচন হচ্ছে। সরে যাওয়ার উপায় নেই।’ জেনারেল ক্লজেজ অ্যাক্ট দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির নির্বাচন বাতিল করা হয়েছিল। এবারও তা করা সম্ভব। অনেকে বলছেন, ঘড়ির কাঁটা ৫ জানুয়ারি পেরোলেই কেল্লা ফতে। বিএনপি বা অন্য কেউ নির্বাচন বাতিলের ক...

সরকারের কথায় ও কাজে মিল থাকতে হবে- খালেদা জিয়া কি অন্তরীণ?

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্তরীণ রাখা হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রত্যাশিত। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধীদলীয় নেতাকে ছায়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখা হয় এবং তাঁকে সেভাবেই দেখতে হবে। কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিস্থিতি এমন হতে পারে না যে গণতন্ত্র বাঁচাতে ছায়া প্রধানমন্ত্রীকে অঘোষিতভাবে অন্তরীণ করে রাখতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা অহর্নিশ আপ্তবাক্য উচ্চারণ করেন যে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। কিন্তু তাঁরা ভুলে যান, এর প্রবক্তাদের জন্যও কথাটি পুরোপুরি সত্য। যদি যুক্তি দেওয়া হয় যে বিনা অনুমতিতে আয়োজিত সমাবেশে যোগদানের অধিকার বিরোধী দলের নেতার ছিল না, তাহলেও এটা জনগণের চোখে প্রতীয়মান হতে হবে যে তাঁর প্রতি কেবল আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা তা নয়। গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে বিরোধীদলীয় নেতার আইনগত অবস্থান কী, তা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। এটা পরিহাসমূলক যে তাঁর অবস্থান প্রশ্নে উপযুক্ত সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা না এলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা কিংবা মন্ত্রীদের কাছ থেকে সময়ে সময়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে। বিএনপির তরফ থেকে খা...

মত-দ্বিমত- সংবিধান রক্ষার নির্বাচন by আবদুল মান্নান

৫ জানুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেই নির্বাচন নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের সমালোচনার মূল কথা হলো, প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে ছাড়া এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। কিন্তু সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য এর কোনো বিকল্প ছিল বলে আমি মনে করি না। নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাকে ব্যাহত হতে দেওয়া যায় না। আমি এও মনে করি, সময়ের প্রয়োজনেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থাটি এসেছিল। সেটি কোনোভাবেই স্থায়ী ব্যবস্থা হতে পারে না। তদুপরি পঞ্চম সংশোধনীকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলা হয়েছিল, ২০০৪ সালে বিএনপির আমলেই হাইকোর্ট তাঁকে অবৈধ বলে রায় দেন। সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে এবং সুপ্রিম কোর্ট ২০১০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী বলে ঘোষণা দেন। সেই রায়ে বলা হয়েছিল, জাতীয় সংসদ চাইলে দুই মেয়াদের জন্য এই ব্যবস্থা বহাল রাখতে পারে। জাতীয় সংসদ চায়নি। এখন তো জোর করে সেই ব্যবস্থা চলতে পারে না। যদি কেউ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আবার সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করেও, আইনের চোখে সেটি টিকবে না। পৃথি...

দোষীদের বিচার ও হাইকোর্ট বিধি কার্যকর হোক- সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে সহিংসতা

বাংলাদেশে আইনের শাসন যে প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই মুখ থুবড়ে পড়েছে, তার প্রমাণ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অব্যাহত দলীয় অপতৎপরতা, যা সময়ে সময়ে সহিংস রূপ নিয়ে থাকে। দুই বিবদমান দলের সমর্থক আইনজীবী, যাঁরা এর আগে বহিরাগতদের সাহায্য ছাড়া নিজেরাই ভাঙচুরে অংশ নিয়েছেন, প্রধান বিচারপতির দরজায় লাথি মেরেছেন, তাঁদের আমরা পুরস্কৃত হতে দেখেছি। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির একটি নজিরবিহীন আদেশের পর আওয়ামী লীগ-সমর্থক আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আদালত চত্বরে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে বিচারকেরা কর্মবিরতি পালন করেছিলেন। এবং বিস্ময়করভাবে ড. কামাল হোসেনসহ শীর্ষ আইনজীবীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই মামলা ছিল নিঃসন্দেহে বিএনপি-সমর্থক মহলের হঠকারিতা। কিন্তু সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের শাস্তি হোক, প্রকৃতপক্ষে তা কেউ চায়নি বললে অত্যুক্তি হবে না। দায়মুক্তির সংস্কৃতিটা আসলে উভয় দলের কাছেই উপভোগ্য। সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখার প্রশ্নটিও দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। এবারের সন্ত্রাস ও কদর্যতা অবশ্য ২০০৬ সালকেও ছাড়িয়ে গেছে। সরকার-সমর্থক বহিরাগতদের ব...

গদ্যকার্টুন- ভালা করি ঘর বানায়া কয় দিন? by আনিসুল হক

আচ্ছা, আপনাদেরও কি এই রকম হয়? ধরুন, একটা কাজ করতে হবে। ধরা যাক, আপনি কাউকে একট চিঠি লিখবেন, বা কোনো একটা বিল জমা দেবেন, কোনো একটা কিছুর জন্য আবেদন করবেন। কাজটা করার জন্য আরও তিন মাস সময় হাতে আছে। আপনি প্রথমে ভাবলেন ঠিক আছে, দুই মাস সময় হাতে রেখেই কাজটা করে ফেলব। এক মাস যায়, দুই মাস যায়, তারপর যখন তিন মাস যায় যায়, তখন আপনার হুঁশ হয়, এবং একেবারে শেষের দিন গিয়ে কাজটা সারেন? যদি আপনার এই রকম হয়ে থাকে, তাহলে বুঝবেন, আপনি আমারই দলে। এবং আমার ধারণা, বেশির ভাগ মানুষই আসলে কাজ ফেলে রাখে, এবং শেষ মুহূর্তের আগে কাজ শেষ করে না। আপনারা যাঁরা আমার মতোই শেষ দিনের আগে কাজ শেষ করেন না, তাঁদের জন্য নিউ ইয়ার রেজুলেশন, নতুন বছরের অঙ্গীকার: নতুন বছরে আমি হব ভালো ছেলে সময়ে সারব কাজ রাখব না ফেলে। আপনার মূল্যবান সময় কি ফেসবুকে অপব্যয়িত হচ্ছে? তাহলে আসুন, নতুন বছরে এই প্রতিজ্ঞা করি: নতুন বছরে আমি এই পণ করি ফেসবুক না পড়ে যেন সত্যি বই পড়ি। আমার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। ভুঁড়ি সামলাতে পারছি না। জিমনেসিয়ামে যাবার জন্য বার্ষিক কার্ড করেছিলাম, টাকা ব্যয় হয়েছে, ক্যালরি খরচ হয় নাই। একটা মেশিন কিনেছি, ব্যায়ামের যন্ত...

লাস্ট এপিসোড by ড. মাহফুজ পারভেজ

টিভি নাটকের শেষ পর্ব বা এপিসোডে পরিচালক যেভাবে চরম রোমাঞ্চ, রহস্য ও চমক লুকিয়ে রাখেন, তেমনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক রণাঙ্গনে চলছে প্রবল উত্তেজনাকর শেষ এপিসোড। সরকারি ও বিরোধী দল সর্বশক্তিতে মাঠে হাজির। নির্বাক দর্শকরূপে চেয়ে চেয়ে দেখছে অবরুদ্ধ জনসাধারণ। অবরুদ্ধ বিরোধী দলের নেতাও। তাকে হয়তো আটকও করা হতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘সরকার মানুষের রক্তের উপর দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাইছে।’ বিদেশী  মিডিয়ায় বাংলাদেশকে ‘গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ বা ‘কারাগার-সদৃশ’ বলে যে মন্তব্য করা হয়েছিল, তা এখন শত ভাগ বাস্তব। বাংলাদেশের একজন মানুষও এ পরিস্থিতিতে মুক্ত আছেন কিনা সন্দেহ। কারও চলাচল, যাতায়াত ও গতিবিধির স্বাধীনতা নেই। নাগরিক সমাজ ও শহর-নগরের উপর চলছে প্রথমত বিরোধী দলের অবরোধ আর এখন সরকার আরোপিত অবরোধ। এমন বিভীষিকার মধ্যে সরকার ৫ই জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেই। অন্যদিকে বিরোধী দল নির্বাচন মানবেই না। ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ করতে না দেয়ায় বিরোধীদের আন্দোলন আবার লাগাতারভাবে অবরোধ-হরতালরূপে গ্রামে-গঞ্জে-দেশব্যাপী ছড়িয়ে গেছে। আন্দোলনের মাঠে বাড়ছে আহত-নিহত-আটকের সংখ্যা। পুলিশের সঙ্গে সরকারি লোক...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে ইউজিসি’র ৫ দফা সুপারিশ by সোলায়মান তুষার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে ৫ দফা সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়। দেশের উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। স্নাতক পর্যায়ের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৪৮ ভাগই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অধ্যয়নরত। তবে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত স্নাতকদের গুণগত মান মোটেই আশানুরূপ নয়। অধিভুক্ত কলেজগুলোর উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা উদ্বেগজনক বলে মনে করে ইউজিসি। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পাঁচ দফা সুপারিশ করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পরিপূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত স্নাতকোত্তর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করে সেখানে কেবল এমএস ও পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা প্রদানকারী কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকবে। অন্য ছয়টি বিভাগীয় শহরে একটি করে স্বায়ত্তশাসিত স্নাতকোত্তর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে ওই বিভাগের স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা প্রদানকারী কলেজগুলো অধিভুক্ত করা। যেসব কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাত...

নির্বাচনের বিপক্ষে ৭৭ শতাংশ মানুষ

বাংলাদেশে আসন্ন ৫ই জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হয়ে গেলো এক জনমত জরিপ। ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউন এ জরিপটি চালায়। আগামী রোববারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অংশগ্রহণ না করায় জরিপে অংশ নেয়া তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি মানুষ নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৭৭ শতাংশ মানুষ এ নির্বাচনকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ মনে করেন। ভোটে বিএনপি অংশ না নিলেও, ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন ৪১ শতাংশ মানুষ। এ জরিপ অনুযায়ী, নির্বাচনী ফলাফলে জয়ের সম্ভাবনায় বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, ব্যবধানটা সামান্য। সুযোগ থাকলে ৩৭ শতাংশ মানুষ বিএনপিতে ও আওয়ামী লীগে ভোট দিতেন ৩৬ শতাংশ মানুষ। অবশ্য, নির্বাচনে কোন দল জয় পাবে, তা অনুমানের ক্ষেত্রে বিএনপিই এগিয়ে। ৪৪ শতাংশ মানুষ অনুমান করছেন, জয়ের পাল্লাটা ঝুঁকতো বিএনপির দিকে। আর ৩৮ শতাংশ মানুষের ধারণা, আওয়ামী লীগই নির্বাচনে জয়লাভ করতো। জরিপে অংশ নেয়া ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করেন, দেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। বর্তমান সরকার একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে জরিপে অংশ নেয়া ৪৭ শতাংশ মানুষ ইতিবাচক সা...