Skip to main content

Posts

Showing posts from December 20, 2013

জীবন বাঁচানো নায়কেরা by আলম পলাশ

গত ২৭ নভেম্বর, বুধবার। ভোর চারটা ৫০ মিনিট। জমজমাট চাঁদপুর স্টেশন। তার আগের দিন থেকে শুরু হওয়া অবরোধের ছোঁয়া সেখানে নেই বললেই চলে। ঠিক আর ১০ মিনিট পরে স্টেশন ত্যাগ করবে মেঘনা এক্সপ্রেস। গন্তব্য চট্টগ্রাম। স্টেশনে প্রিয়জনকে বিদায় দিতে অনেকেই এসেছেন। ব্যাগ গুছিয়ে নির্দিষ্ট আসনে বসছেন যাত্রীরা। ব্যস্ত কুলি, হকার ও ট্রেনের কর্মচারীরা। এরই মধ্যে ট্রেনের হুইসেল পড়ে গেছে। তখন ভোর পাঁচটা। বিশালাকার অজগরের মতো হেলেদুলে চাঁদপুর স্টেশন ছাড়ল মেঘনা এক্সপ্রেস। স্টেশনের বাইরে কুয়াশা মোড়ানো ভোর। তবে সবচেয়ে ভয় জাগানো ব্যাপার হলো জায়গায় জায়গায় রেললাইন উপড়ে ফেলার খবর। ততক্ষণে অবশ্য বাংলাদেশ রেলওয়ের আগাম সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ‘অবরোধের সময় দেখে-শুনে ধীরগতিতে (নিয়ন্ত্রিত গতি) ট্রেন চালাতে হবে।’ সেভাবেই ট্রেন চালাচ্ছেন চালক জয়নাল আবেদিন ও সহকারী চালক আজম খান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পরবর্তী স্টেশনে পৌঁছারও তাড়া আছে। ট্রেন ছাড়ার পর এরই মধ্যে তিনটি স্টেশনে থেমেছে। যথারীতি যাত্রী উঠেছেন-নেমেছেন। ততক্ষণে ভোরের কুয়াশাও কাটতে শুরু করেছে। গাছগাছালির ফাঁক গলে সূর্য উঁকি দিচ্ছে। ট্রেনের ভেতরে...

সফলদের স্বপ্নগাথা- যেতে হবে বহুদূর by জোয়ান বায়েজ

সবাই এক হলেই অন্য রকম কিছু করা সম্ভব। এখন বিভিন্ন দেশে দুর্নীতি আর কুশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আন্দোলন চলছে। সবাই মিলে এক হয়েছে বলেই এমনটি করা সম্ভব হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের আন্দোলন বিস্তৃত হচ্ছে। এ ধরনের আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি অনেক প্রভাবশালী ও জটিল প্রকৃতির। কোনো ধরনের জাতীয় নেতা ছাড়া এ ধরনের কাজ নিঃসন্দেহে অসাধ্য সাধনই বটে। বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে শিল্পীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই অংশ নেন। এ ক্ষেত্রে শিল্পীদের দায়বদ্ধতাও বেশি। শিল্পকলা ও আন্দোলনের মাঝে যোগসূত্র অবশ্যই আছে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে শিল্পীদের সংযোগই এই বৈচিত্র্যপূর্ণ যোগসূত্রের কারণ। জেলের কয়েদি থেকে শুরু করে যুদ্ধক্ষেত্রের যোদ্ধার সঙ্গে আমি শিল্পী হিসেবে কথা বলতে পারি। সে আমার কথা শুনতে পারে। যা অন্যান্য সাধারণ মানুষের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। এমন কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান। প্রকৃতি আমাকে সত্যিকারের সৌভাগ্য উপহার দিয়েছে। আমার কণ্ঠের গানই আমার সব। আমার এই প্রকৃতিপ্রদত্ত কণ্ঠ দিয়ে আমি যা ইচ্ছে বলতে পারি। আমি আমার কণ্ঠের গানকে এ...

হাজি মুহম্মদ মুহসীন মৃত্যুর ২০০ বছর পর by অমর সাহা

দানবীর হাজি মুহাম্মদ মুহসীনের মৃত্যুর ২০০ বছর পূর্ণ হলো গত নভেম্বরে। এ নিয়ে তাঁর জন্মস্থানে ছিল নানা অনুষ্ঠান। এই মানবহিতৈষীর জন্মভিটা ঘুরে তাঁর কথা স্মরণ করলেন প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি অমর সাহা এখনো তিনি মানুষের হূদয়ে জাগ্রত—সেই হুগলী থেকে গোটা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে সুদূর বাংলাদেশেও। তিনি হাজি মুহম্মদ মুহসীন। মৃত্যুর ২০০ বছর পরও এতটুকু ম্লান হয়নি তাঁর স্মৃতি, কীর্তিগাথা। আজও তিনি দানবীর হিসেবে অমর, প্রাতঃস্মরণীয়। ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি দানবীর হাজি মুহম্মদ মুহসীনের কথা। আজ সেই তিনি নেই। এই তো সেদিন, ২৯ নভেম্বর চলে গেল এই মহান পুরুষের মৃত্যুদিন। হুগলীর ইমামবাড়াসহ সর্বত্র দিনটি পালিত হলেও কলকাতায় ছিল না কোনো আয়োজন। হুগলীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২০০ বছর পূর্ণ হওয়া এই মৃত্যুদিবসকে ঘিরে তিন দিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে কলকাতা ও ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন বহু খ্যাতিমান বিশিষ্টজন। হাজি মুহসীন জন্মেছিলেন ১৭৩২ সালের ১ আগস্ট। তাঁর পিতা হাজি ফয়জুল্লাহ। জানা যায়, তাঁর পূর্বপুরুষেরা এসেছিলেন সুদূর ইরান বা পারস্য থেকে। তবে তাঁদের আদি বাস ছিল আরবে। দিল্লির মসনদে তখন মোগ...

পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইইউ

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে কোন পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউ হাই রিপ্রেজেনটেটিভ ক্যাথরিন অ্যাস্টনের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন হাই রিপ্রেজেনটিটিভ অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছেন যে, সম্প্রতি জাতিসংঘের উদ্যোগসহ বেশ কয়েকদফা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈনিক শক্তিগুলো সেখানে অবাধ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরী করতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে হাই রিপ্রেজেনটিটিভ সব পক্ষকে সহিংসতা পরিহার করে বাংলাদেশের জনগনের গনতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। বিবৃতিতিতে বলা হয়েছে হাই রিপ্রেজেনটিটিভ আপাতত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সব ধরনের প্রস্তুতি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সুষ্ঠ, অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হলে ইইউ পর্যবেক্ষণ পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

হৃতিক-সুজান বিচ্ছেদের নেপথ্যে

চার বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০০০ সালের ২০ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন হৃতিক রোশন ও সুজান রোশন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ তাঁদের বিয়ের ১৩ বছর পূর্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৩তম বিয়ে বার্ষিকীর ঠিক এক সপ্তাহ আগে ১৩ ডিসেম্বর হৃতিক জানালেন, তিনি ও সুজান বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন। তবে কি ১৩ সংখ্যাটিই কাল হয়ে দাঁড়াল হৃতিক-সুজানের  সুখী দাম্পত্য জীবনে! বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেও, এর পেছনের কারণ সম্পর্কে হৃতিক কিংবা সুজান কেউই স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। কিন্তু এত বড় ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটন না করে কী বসে থাকতে পারেন সংবাদকর্মীরা! সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে হৃতিক-সুজান বিচ্ছেদের নেপথ্যে সম্ভাব্য কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া। ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে সফল অভিষেক হয় হূতিকের। একই বছরের ডিসেম্বরে সুজানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন তিনি। বছরের পর বছর ধরে বলিউডের অন্যতম সফল ও সুখী দম্পতি হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে তাঁদের নাম। হৃতিক-সুজান দাম্পত্যে প্রথম অশান্তির ঢেউ ওঠে ২০১০ সালে। সে বছর মুক্তি পাওয়া ‘কাইটস’ ছবিতে সহ-অভিনেত্রী মেক্সিকান মডেল ও ...

দেশ ও সময়ের দাবি উন্মুক্ত গণতন্ত্র by মিলন মিয়াজী

এ দেশে নেতা-নেত্রীরা বহু বিশেষণে বিশিষ্টতা পান, পরে কালের পরিক্রমায় তারাই প্রমাণ করেন সবই ভুল। শ্রদ্ধেয় জনৈক নেতাও বলেই ফেললেন, আমার চারদিকে চাটুকার দল, তিনি অবশ্য চাটুকার হতে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন বলে মনে হয় না। করলে উত্তরোত্তর এ ধরনের চরিত্রের লোক বৃদ্ধি পেতো না। চাটুকারা যতই বলুক অমুক আদর্শের সৈনিক, তমুক আদর্শের সৈনিক যতই বলুক না কিন্তু আদর্শের ধরন কি? তা কিভাবে বাস্তবায়ন করবেন দেশ ও জনগণের কল্যাণে তার রূপরেখা সম্পর্কে তারা কিছু জানেন বলে আমার মনে হয় না। এগুলো নিতান্তই চটুল কথা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা জানি, কোন আদর্শ বাস্তবায়ন করতে সমমনা লক্ষ লোকের দরকার জনগণের কাছে সে আদর্শের বাণী পৌঁছাতে। আদর্শগত দ্বন্দ্ব নয়, শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে, অত্যাধুনিক মিডিয়ার যুগে এত লোকের দরকার কি? এ অবস্থায় সুন্দর সমাধান দিতে পারে উন্মুক্ত গণতন্ত্র। কারণ, এখানে সরকার পরিচালনায় এবং সমগ্র দেশ উপস্থাপনায় সর্বমোট ৩৬১ জনবল প্রয়োজন। এই তো গেল মহান বিজয় দিবস। কেউ কেউ তার প্রতিষ্ঠান কাগজের জাতীয় পতাকা দ্বারা সাজালো ভাল দেশপ্রেমিক। কিন্তু আজ ওই সব কাগজের পতাকা ধুলায় গড়াগড়ি খায়। দেশপ্রে...

চলে গেলেন জোহরা তাজউদ্দীন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সহধর্মিণী সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন (৮১) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জোহরা তাজউদ্দীনের মেয়ে মাহজাবীন আহম্মেদ প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ বাদ আসর গুলশানের আজাদ মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁর মরদেহ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেখানে বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তিনি জোহরা তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমুসহ দলের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাদ মাগরিব সেখানে জোহরা তাজউদ্দীনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোহরা তাজউদ্দীনের মরদেহ দেখতে ইউনাইটেড হাসপাতালে যান। আরও যান আওয়ামী লীগের ...

বিএনপি ‘টোপ’ গিললে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো

সমঝোতা হলে দশম সংসদ ভেঙে নির্বাচন দেয়ার বক্তব্যকে ‘টোপ’ বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ড. একিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিরোধী দল এ টোপ গ্রহণ করবে না। যদি করে তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো। বিকালে জাতীয় পার্টির একাংশের সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাজী জাফর আহমেদকে চেয়ারম্যান ও গোলাম মসিহকে মহাসচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। সরকারের নির্বাচন আয়োজনের সমালোচনা করে বি চৌধুরী বলেন, ১৫৪ সিটে ভোট দেয়ার অধিকার নেই। এটি কোন ধরনের নির্বাচন। এ ধরনের নির্বাচন মানুষ চায় না। তিনি বলেন, এমন কোন রাজনৈতিক নজির নেই যে কোন দেশের সরকার বিরোধী দলের একটি কথাও শুনেনা। আর যারা বিরোধী দলের একটি কথাও মানে না তারাতো গণতন্ত্রও মানে না। যদিও প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের ভাষা বুঝেন না। অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, রক্তে মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। যে কোন জিনিসের জন্ম রক্ত ছাড়া হয় না। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে হাসপাতালে আটকে রাখার সমালোচনা করে বলেন, এতে সেনা বাহিনীরও বদনাম হচ্ছে। সভাপতির...

ক্ষমা চাইবে না যুক্তরাষ্ট্র, মামলাও চলবে

ভারতীয় কূটনীতিক দেবযানী খোবরাগাড়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসবে না যুক্তরাষ্ট্র। এই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে ভারতের আহ্বান প্রত্যাখান করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এমন কি এ ব্যাপারে দেশটির পক্ষ থেকে ক্ষমাও চাওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বলেন, আমার এ ধরনের অভিযোগ খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়ে থাকি। প্রতিবছর প্রতিটি দেশের কূটনীতিক যারা এখানে অবস্থান করছে তাদের আমরা খুব পরিষ্কারভাবে কূটনৈতিকবার্তায় জানিয়ে দেই, কাজ করার জন্য যাদের তারা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসেন তাদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে। আর এই বিধিনিষেধগুলো আমরা খুব পরিষ্কারভাবেই জানিয়ে দেই যে, এসব বিষয় মানা না হলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারি।

জাতীয় পার্টি নির্বাচনে নেই: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের ভাই ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জি এম কাদের বলেছেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে নেই। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরার নিজ বাসভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জি এম কাদের এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে দলের কিছু নেতার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা জাপার মন্ত্রীদের নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের বিষয়ে জাপার অবস্থান তুলে ধরা হয়। জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। যেহেতু তিনি সরাসরি কথা বলতে পারছেন না, সেহেতু তাঁর নির্দেশনা জাপার মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও আমি জানাই। তাঁর (এরশাদের) নাম করে কেউ কিছু বললে, তা তাঁর নামে হবে না। তিনি নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল আছেন।’ জি এম কাদের বলেন, ‘আমরা নির্বাচন না করার জন্য মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলাম। কিন্তু তা টেকনিক্যাল কারণ দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়নি। এর পরও আমরা নির্বাচনে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছি। আমি মন্ত্রী নেই। গাড়ি, বাড়িতে পতাকা ব্যবহার করি না। সুযোগ-স...