Skip to main content

Posts

Showing posts from December 12, 2013

আল জাজিরার রিপোর্ট- বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে

চারদিকে উত্তেজনা। মানুষ উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতি দেখে মনে হয় বাংলাদেশে ছোট আকারে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনলাইন আল জাজিরার এক খবরে এ কথা বলা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্ট আবদুল কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর অর্থ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে কাদের মোল্লার। তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, তার মক্কেলকে ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে ফাঁসি দেয়া হতে পারে। তবে কাদের মোল্লা ও তার আত্মীয়রা প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারেন। খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, তার মক্কেল সুবিচার পান নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও যেহেতু সর্বোচ্চ আদালত থেকে এ রায় দেয়া হয়েছে এখন আমাদের আর কিছু বলার নেই। কাদের মোল্লার এই মামলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কয়েক মাস ধরে চলছে উত্তেজনা। এখন জাতীয় নির্বাচন একেবারে সন্নিকটে। এ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে তারা বিরোধী দল বিএনপির আন্দোলনে মূল ভূমিকা রাখছে।

‘বাক-স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলছে’

সরকার গণমাধ্যমসহ বাক-স্বাধীনতার ওপর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশিষ্টজনরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ করা হয়। এতে মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা। এতে তিনি বলেন, টেলিভিশন টকশোতে যারা সরকারের সমালোচনা করেন টিভি কর্র্তৃপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের আলোচনায় আনতে বাধা দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারের পছন্দের আলোচকদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ ব্যক্তিগণ টকশো নিয়ে বিরাগ-বিরক্তি ও অশোভন মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় টকশো নিয়ন্ত্রণের যে চেষ্টা চালানো হচ্ছে তাকে আমরা অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক বলে মনে করি। এতে বলা হয়, সরকারের সমালোচনা ও বাকস্বাধীনতা সাংবিধানিক অধিকার। এবিএম মূসার এ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুলের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, মতিউর রহমান চৌধুরী, নাইমুল ইসলাম খান, নূরুল কবির, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, পিয়াস করিম, দিলারা চৌধুরী, আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, ড....

সব মনোনয়নপত্র বাতিল করতে ইসিকে এরশাদের চিঠি

জাতীয় পার্টির নামে কোন প্রার্থীকে লাঙল প্রতীক বরাদ্দ না দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। একই সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের জমা দেয়া সব মনোনয়নপত্র বাতিলের জন্য চিঠিতে বলা হয়েছে। আজ এরশাদের বিশেষ উপদেষ্টা ববি হাজ্জাজ ইসি সচিব মোহাম্মদ সাদিকের কাছে এই আবেদনপত্র জমা দেন। চিঠিতে এরশাদ বলেন, আমাদের পার্টির সিদ্ধান্ত হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বর্তমান তফসিল অনুযায়ী জাতীয় পার্টি এ নির্বাচন থেকে বিরত থাকবে এবং ইতোমধ্যে পার্টি প্রদত্ত সব মনোনয়ন বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ  নির্বাচনে ‘লাঙ্গল’ প্রতীক কাউকে বরাদ্দ না দেয়ারও অনুরোধ জানিয়েছেন এরশাদ। এদিকে দুপুরে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এরশাদের প্রেসিডেন্ট পার্কের নিচে সাংবাদিকদের বলেন, এরশাদ দলীয় সিদ্ধান্তে অনড় আছেন। সব প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পার্টির চেয়ারম্যানের প্রত্যাহারের আবেদনও গ্রহন করা হয়েছে।

গাছ ফেলে ১২ কিলোমিটার মহাসড়ক অবরোধ উত্তরের ৮ জেলা বিচ্ছিন্ন

জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করার ঘোষণার পর থেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা মঙ্গলবার রাত ৮টায় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রংপুরের মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ী এলাকা থেকে পায়রাবন্দ রোকেয়া সরণি পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকা দখলে নেয়। এ সময় রাস্তার দুই ধারের শ’ শ’ গাছ কেটে অবরোধ করে ফেলে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক। ফলে মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশের সঙ্গে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার সব প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে করে রংপুরের সর্বত্রই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে নাশকতা প্রতিরোধে অবস্থান নেয়। জামায়াত-শিবিরের মহাসড়ক অবরোধের কারণে ঢাকা থেকে প্রকাশিত কোন জাতীয় পত্রিকা রংপুরে না আসায় গ্রাহকরা পড়তে পারেনি তাদের কাঙিক্ষত পত্রিকা। রংপুর সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি তোহাম্মেল হোসেন মজনু বলেন, শিবিরের তাণ্ডব ও সড়ক অবরোধের কারণে বেলা ৩টা পর্যন্ত সংবাদপত্রবাহী গাড়ি এ বিভাগের কোন জেলায় ঢুকতে পারেনি। মিঠাপুকুর থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকাল থেকেই জামায়াত-শিবিরকর্মীরা ভাঙচুর-তাণ্ডব শুরু করে। এতে ...