প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের পরে প্রণব মুখার্জিরই তাঁর উত্তরাধিকারী হওয়ার কথা। মূলত এ কারণেই ব্যাপক যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ঠেলে ওপরে পাঠানো হয়। সোনিয়া গান্ধী তাঁর সন্তান রাহুল গান্ধীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বানাতে বদ্ধপরিকর। রাহুল গান্ধীই ছিলেন প্রণব মুখার্জির রাজনৈতিক অভিলাষের পথের বাধা। রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণ করা না-করার সিদ্ধান্ত প্রণব মুখার্জির ওপরই নির্ভর করে। কিন্তু যেই তিনি ঘোষণা করলেন যে ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না, সেই পরিষ্কার হয়ে গেল, সাজঘরে অপেক্ষা করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে গেছেন। সোনিয়া গান্ধীও সঙ্গে সঙ্গে এই ঘোষণা মেনে নিলেন, প্রণব তো রাহুলের জন্যই পথ ছেড়ে দিলেন। প্রণব মুখার্জি কংগ্রেসের খারাপ সময়ে যেভাবে উদ্ধারকর্মীর ভূমিকায় নেমেছিলেন, তাতে তাঁর ধারণা হয়েছিল নেহরুর রাজবংশকে তিনি যেমন নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিয়েছেন, তাতে তাঁকে কখনো উপেক্ষা করা হবে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, প্রণব নিজেকে রাষ্ট্রপতির পদের জন্য তৈরি করেননি। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি যা বলতে পারেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তেমন মন্তব্য করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু কেজরিওয়াল ত...
চট্টগ্রামের সব খবরাখবর