বিশ্বজিৎ দাস সম্ভবত ভুল সময়ে ভুল জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এইটুকু ভুলের কারণেই জীবন গেল তাঁর। ওই খানে তখন অবরোধের পক্ষের মিছিলে ধাওয়া দিয়েছিলেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। সে সময় অবরোধের পক্ষের কেউ এমন সন্দেহে তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারা হলো। যাদের হাতে চাপাতি ছিল না, তারা রড দিয়ে পিটিয়েছে, লাঠির বাড়িতে রক্তাক্ত করেছে, লাথি-ঘুষি মেরেছে। জীবন বাঁচাতে মরণপণ দৌড়েও রক্ষা পাননি বিশ্বজিৎ দাস। তাঁকে পাশের হাসপাতালেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একজন রিকশাওয়ালা হাসপাতালে পৌঁছে দিলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি বাঁচেননি। বিশ্বজিৎ দাসের বয়স হয়েছিল মাত্র ২৪ বছর। অসংখ্য মানুষের সামনে গতকাল রোববার এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটল। ঘটনার সূত্রপাত পুরান ঢাকার জজকোর্ট এলাকায় সকাল নয়টার ঠিক আগে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১৮ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ কর্মসূচির সমর্থনে গতকাল সকাল নয়টার আগে ঢাকা জজকোর্ট এলাকা থেকে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীরা একটি মিছিল নিয়ে ভিক্টোরিয়া পার্কের কাছে যান। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি কাজী নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আইনজীবীদের ধাওয়া করেন। এর কয়েক মিনিট পর...
চট্টগ্রামের সব খবরাখবর