Skip to main content

Posts

Showing posts from June 4, 2011

আল কুরআন ।। আল্লাহকে ভয় কর

“হে মমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। তিনি তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।” (সূরা আহযাব ঃ ৭০ - ৭১) সুপ্রিয় বন্ধুরা, সত্য কথা বলা মহৎ গুণ। যে সত্য কথা বলে সবাই তাকে ভালবাসে। আমাদের মহানবী (সাঃ) ছোট বেলা থেকেই সবার কাছে সত্যবাদী ছিলেন, এজন্য তাঁকে ‘আল আমিন’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। সত্য মানুষকে পুণ্যের দিকে পরিচালিত করে অন্যদিকে যে মিথ্যা কথা বলে, কেউ তাকে বিশ্বাস করে না, ভালোবাসে না, মিথ্যা সব পাপের মূল। তার উপর মহান আল্লাহ অসুন্তষ্ট হন। মহানবী (সাঃ) বলেন, “সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধবংস করে। একবার মুহাম্মদ (সাঃ) এর নিকট একজন লোক এসে বলল, আমি চুরি করি, মিথ্যা বলি, আরো অনেক খারাপ কাজ করি। এ কাজগুলো কিভাবে ছেড়ে দিতে পারবো আমাকে একটি উপদেশ দিন। মহানবী (সাঃ) বললেন, মিথ্যা কথা বলবে না। সে আর মিথ্যা কথা বলল না, কারণ কেউ অপরাধের কথা জিজ্ঞেস করলে লজ্জ্বিত হতে হবে, শাস্তি পেতে হবে। প্রিয় বন্ধুরা, এভাবে শুধু মিথ্যা বলা ছেড়ে দেয়ায় সকল খারাপ কাজ করা থেকে বেঁচে গেল। তাহলে আমরা সব সময় সত্য কথা বলব, সঠিক পথে চলব, খারাপ প...

আল হাদিস : মুনফিকের তিনটি আলামত

“হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি- ১. যখন বলে মিথ্যা বলে। ২. যখন ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে। ৩. তার নিকট যখন কিছু রাখা হয় তা অস্বীকার করে। (বুখারী ও মুসলিম)   ওয়াদা পালন করা আখলাকে হামীদা বা প্রশংসনীয় আচরণের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, এটি ঈমানে একটি অঙ্গ। ওয়াদা পালন করা মানে কথা দিয়ে কথা রাখা, যে লোক ওয়াদা পালন করে তাকে সবাই বিশ্বাস করে, ভালোবাসে। ওয়াদা পালন করলে আল্লাহ খুশি হন। মহানবী (সা) বলেন, ‘যে ওয়াদা পালন করে না, সে ধার্মিক নয়।’ মহানবী (সাঃ) এবং সাহাবীগণ ওয়াদা করলে যত অসুবিধাই হোক না কেন তা পালন করতেন। ইরানের একটি প্রদেশের শাসনকর্তা ছিল হরমুজান। সে খুব অত্যাচারী ও বিশ্বাসঘাতক ছিল। এক যুদ্ধ সে মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয়। তাকে খলীফা উমর (রা) এর কাছে আনা হলো। উমর (রা) বললেন, হরমুজান, তুমি অনেক মুসলিমকে হত্যা করেছ। নিরীহ লোকের ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে। তোমার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। মৃত্যুর আগে তোমার কিছু বলার আছে কি? হরমুজান পানি চাইল, তাকে পানি দেওয়া হল। সে বলল, ‘খলীফা! আপনি দয়া করে কথা দিন, পানি পান করার আগে আমাকে হত্যা করা হবে না।’ উমর (রা) কথা দ...

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য : গরুর গাড়ি ।। জহির রহমান

ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাহিয়ারে... যে দিন গাড়িয়াল উজান যায়, নারীর মন মোর ঝুরিয়া রয় রে। ওকি গাড়িয়াল ভাই হাকা গাড়ি চিলমারীর বন্দরে রে... দূর থেকে বাতাসে ভেসে আসছে গান। কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে কে গাচ্ছে এ গান! কে আবার? গাড়োয়ান ভাই। গাড়োয়ান ভাই গরুর গাড়ি চালায়। ছুটে চলে দূর-দূরান্তে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। মাল নিয়ে ছুটে চলে বন্দর থেকে বন্দরে, এক গঞ্জ থেকে আরেক গঞ্জে। দূরের যাত্রাপথে সুরেলা কণ্ঠে ভাওয়াইয়া গান ধরে গাড়োয়ান ভাই। বাতাসে গাড়ি চলার কোঁ-ওঁ-ওঁ-ওঁ শব্দ ভেসে আসছে। বেড়ার ফাঁকে দাঁড়িয়ে দেখে বাড়ির বউ। তাই তো গরুর গাড়িই যাচ্ছে! পর্দার ফাঁকে দেখা যাচ্ছে বড় বাড়ির বউ। নিশ্চয়ই নাইওর যাচ্ছে বাপের বাড়ি। ছোট ছোট ছেলেপুলেরা গরুর গাড়ির পেছন পেছন ছুটে চলছে। গরুর গাড়ি বাতাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে কোঁ-ওঁ-ওঁ-ওঁ আওয়াজ। পল্লী বধূরা মাথার গোমটা পরিয়ে মিষ্টি হেসে ঘরের জানালায় দাঁড়িয়ে মনে নানা পরিকল্পনার চিত্র আঁকে। এখন সবকিছু স্মৃতি। বাস্তবের সলিল সমাধি হয়ে গেছে সেই বহুকাল আগে থেকে। শত বছর আগের এমনই ছিল গ্রাম বাংলার অবস্থা। যেখানে নৌকা চলত না, গরুর গাড়িই ছিল সেখানকার একমাত্র যানবাহন। গঞ্জ, নদী-বন্দর, ছো...

আলতু ।। কামাল উদ্দিন রায়হান

আলতু গ্রামের মধ্যে এক মহা কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে। মহাকান্ড না বলেও প্রলয়কান্ড বলা যায়। এই কান্ডে গ্রামের সকল আবাল বৃদ্ধবনিতা অবাক হল। সেই কান্ডটি হল আলতু মেট্রিক পাশ করেছে। গ্রামের মাধ্যে এমনকি চৌদ্দ গ্রাম খুঁজলেও মেট্রিক পাশ ছেলে পাওয়া যাবে না। আলতুর বাবা ফালতুতো মহা খুশি। ধন্য ধন্য সাড়া পাচ্ছে সবখানে। আলতুর মেট্রিক পাশে তার বাবা ফালতু এবার আশা করছে তাকে ঢাকা শহরে পড়ালেখা করিয়ে উচ্চ শিক্ষিত করে তুলবে। এই কথা শুনে পুরো গ্রামে গাছপালাসহ কিঞ্চিৎ জীবজন্তুও অবাক হয়ে গেল। গ্রামের কোন ছেলে তাদের জেলা শহরের স্কুল কলেজে পড়ারতো দূরের কথা চিন্তাও করেনি। যা হোক সবাই খুব খুশি। বাবা ফালতু ঢাকা শহরের মধ্যে পড়ার জন্য সকল ব্যবস্থা করে দিলেন। শহরে গিয়ে আলতু পড়ালেখা করে মাস ছয়েক পরে ফিরল। বাড়িতে আসার পরে বাড়ির ছেলেমেয়ে পরিবারসহ গ্রামের সকলে অবাক হল, যে আলতু ছেঁড়া লুঙ্গি, ছেঁড়া জামা পরত, এমনকি কোন কোন সময় গায়ে জামা থাকত না, আর সেই আলতু এখন শার্ট, জিন্স প্যান্ট, স্লিম সু পরেছে। সেটা দেখে গ্রামের মানুষদের মধ্যে পরিবর্তনও দেখা যায় বটে! সপ্তাহ খানেক থেকে আবার চলে গেল। এবার শহরে থেকে এল প্রায় আট মাস পর। এবার শুধু...

একটু খানি রক্ত ত্যাগ ।। রাছেল আল ইমরান

ক্যার- ক্যার- ক্যার! কলিং বেলটা আওয়াজ করে বেজে উঠতেই মেজাজটা খারাপ হয়ে যায় সবুজের। কতদিন থেকে বাবাকে বলছি, কলিং বেলটা বদলাও, আওয়াজটা বড্ড বিদঘুটে। এই-ই শেষ! আর কোন অগ্রগতি নেই। নতুন বেল কেনাও হয় না। আর ব্যাটা বেল নিজের জায়গায় বসে আছে বহাল তবিয়তে। আবার শব্দ করে বেজে উঠতেই সবুজ দ্রুত পায়ে এগিয়ে গেল দরজার দিকে। উঃ! বিরক্তিকর! বলতে বলতে দরজা খুলতেই সামনে দাঁড়ানো প্রিয় ব্যক্তিটিকে দেখে লজ্জা পেল সবুজ। ‘আস্সালামু আলাইকুম, মনির ভাই। আপনি ? ওয়ালাইকুম। বিরক্তি করলাম ? একরাশ হাসি সবুজকে উপহার দিয়ে জিজ্ঞেসা করলো মনির ভাই। না না ! ছিঃ কি যে বলেছেন ? আসলেই কথাটা আপনাকে বলিনি। বলেছি ঐ বেলটাকে, বড্ড বিচ্ছিরি আওয়াজ। আপনি আসুন তো। সাথে কে? চেনা চেনা লাগছে। ও, শামিম। ওকে তো চেনার কথা। তোমাদের কলোনিতেই তো থাকে, তোমার ইয়ারে পড়ে। ডি- ব্লকে থাকে। বললেন মনির ভাই। ভালো করে তাকাল সবুজ। চিনতে পেরেছে, কিন্তু ওর মুখটা কেমন যেন মলিন, চোখ দু'টো ছল ছল করছে। দেখে মনে হচ্ছে ভীষণ চিন্তিত। আসুন না। হাত ধরে মনির ভাইকে ড্রয়িং রুমে নিয়ে যায় সবুজ, পেছনে পেছনে শামিম ও প্রবেশ করলো। সময় নষ্ট করবো না। তোমার কাছে একটি কাজে এ...

আমরা দিতে চাই ।। জান্নাতুল ফেরদাউস সীমা

আমরা দিতে চাই অন্য এক পৃথিবী মনের দরজা মেলে যেখানে হেঁটে বেড়ায় অন্য রকম মানুষ যাদের মাঝে নেই কোন হিংসা নেই কোন অহংকার আছে শুধু সাম্য, শান্তি আর ভালোবাসা যারা নিজের চেয়েও বেশী প্রাধান্য দেয় অন্যের সুবিধাকে। আমরা দিতে চাই অন্য এক আকাশ যেখানে বইবে দূষিত বায়ূর পরিবর্তে পরিচ্ছন্ন বায়ূ যে আকাশে ভেসে বেড়াবে সুখি আর শান্তির পায়রা। আমরা দিতে চাই অন্য রকম বাতাস যে বাতাসে ভেসে বেড়াবে ঐক্যের সুগন্ধ যে বাতাসের তাড়নায় নিমিষেই দূর হয়ে যাবে অশান্তির কালো ছায়া। আমরা ফুটাতে চাই অন্যরকম ফুল যে ফুলের সুভাসে বিমোহিত হয়ে যাবে মানুষ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে বিশ্ববাসী। আমরা এমন কিছু দেখাতে চাই যেখানে আকাশ বাতাসে শোনা যায় মুয়াজ্জিনের আযানের সুর সর্বদা মানুষ তৎপর থাকে আল্লাহ ও রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য। আমরা দিতে চাই অন্য রকম পরিবেশ যেখানে থাকবেনা কান্না হাহাকার থাকবে না অশ্র“, মানুষ হাসবে আবার সম্প্রীতির বন্ধন দেখে।

মেহনাজ বিনতে সিরাজ এর দুটি কবিতা

আমার ছেলেবেলা আসব আমি এই দেশেতে সবুজ ধানের শীষে প্রকৃতিরই রূপের মায়ায় মানব সঙ্গ মিশে। পুকুর পাড়ে, নদীর তীরে ঢেউ যে খেলা করে ভেসে যাবো সেথায় আমি ডিঙ্গি নাওয়ে চড়ে। গাছের ছায়া, ফুলের মায়া মনের সাথে মিশে স্বপ্ন রঙ্গিন ছায়া তলে শিশির ভেজা ঘাসে। বটের ছায়ায়, বকুল তলায় বকুল ফুলের পরে ফুলের গন্ধে যায় যে ভেসে শীতের আমেজ ভোরে। মাঠে ফলে সোনার ফসল কৃষাণ ঘরে তোলে তাইতো আমি ঘুমিয়ে আছি সবুজ মাঠের কোলে। মাতা ভক্তি একদা মায়ের ভীষন অসুখ বায়োজীদ পড়ার ঘরে অসুস্থ মা ঘুম নাই চোখে পানি পিপাসায় মরে। জ্বরে তো মায়ের গা যায় পুড়ে ঘুম নাই দুটি চোখে, মা বললেন একটু পানি ঢাল বায়োজীদ মুখে। বায়োজীদ তখন পড়ি কি মরি যায় কলসির দ্বারে সেথায় গিয়ে দেখে এতটুকু পানি নাই কলসিতে পড়ে; বায়োজীদ তখন গভীর আঁধারে কূপের কাছে যায় সেথায় গিয়ে কলসিতে ভরে পানি নিয়ে আসে তায়। বায়োজীদ যখন পানি নিয়ে মায়ের কাছে যায়, মা তখন ঘুমে বিভোর- বায়োজীদ দেখতে পায়। বায়োজীদ ভাবে অসুস্থ মা ঘুম ভাঙ্গা কি ঠিক হবে! বায়োজীদ তখন পানি নিয়ে গ্লাসে দাঁড়ায় শিয়রের আগে। সকালে মা ঘুম থেকে উঠে ছেলেকে দেখতে পেয়ে মায়ের প্রতি ভক্তি দেখে প্রাণ ভরে দোয়া করে। ইনি হলেন বিশ্ব ওলী ব...

জহির রহমান এর দুটি ছড়া

      বিড়াল ছানা সেদিন রাতে         বিড়াল ছানা নষ্ট করে             রিমুর খানা তাইন দেখে          বেজায় রাগে ছুটল নীরব         ঝড়ের বেগে খবর পেয়ে          রিমুর মামা চললো সোজা        রায়পুর থানা নীরব ও যায়        পিছে পিছে বিড়াল ছানা        আস্ত মিছে।               বর্ষার বৃষ্টি বর্ষার বৃষ্টি        আল্লাহর সৃষ্টি খাল বিল ছৈছৈ   শিশুরা করে হৈছে আকাশ জুড়ে     মেঘের খেলা দেখতে দেখতে     কাটবে বেলা রিমঝিম বৃষ্টি     কিদারুন মিষ্টি বৃষ্টি পড়ে     ...

এখনো সময় আছে ।। নাহিদা ইয়াসমিন নুসরাত

এখনো সময় আছে তোমার অন্ধকার হতে বেরিয়ে আসার ধরার বুকে খোদার বিধান করতে কায়েম আবার। এখনো সময় আছে তোমার হিমালয় পাড়ি দেবার আবু বকর ওমরের মত শাসক হবার। এখনো সময় আছে তোমার সৃষ্টিকর্তাকে চিনবার অন্ধকারের অতল গহ্বর হতে বেরিয়ে আসবার। এখনো সময় আছে তোমার সত্য সুন্দরের পথে চলার আসমান- যমীন সমেত জান্নাতে যাবার। এখনো সময় আছে তোমার নতুন করে শপথ নেয়ার ঘুণে ধরা নষ্ট সমাজ নতুন আলোয় গড়ার। এখনো সময় আছে তোমার অজ্ঞতা ঘুচাবার সৃষ্টিকর্তা মহান প্রভূর প্রিয় বন্ধু হবার।

জিজ্ঞাসা এবং ।। মাকসুদা আমীন মুনিয়া

আমরা কেমন মানুষ ? চলার পথে হারিয়ে ফেলি হুশ, একবারও ভাবিনা নিয়ে ভালো মন্দ এমন কাজ করি যেন মোরা সত্যিই অন্ধ। মোরা কেমন ভাবুক ? সকাল বেলার রক্তিম সূর্য আমাদের ভাবায় না, কোন সে শক্তির বলে বেড়ে চলে আমাদের জন্য বসে থাকে না। কেমন বোকা আমরা ? রাতের চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় অভিভূত হই, কিন্তু একবারও ভাবিনা এত পাগল করা জোছনা সে পেলোইবা কৈ! বলোতো কেমন চিন্তাশীল মোরা ? প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে বিভোর হয়ে থাকি, অথচ এতই অধম যে বিধাতার শ্রেষ্ঠত্ব ক্ষমতার সীমাহীনতা গোপন করে রাখি। আমরা কেমন প্রেমিক ? ফুলের সৌরভে মাতোয়ারা হয়ে যাই, অথচ যে তাকে গড়িল সৌরভ ভরিয়া তাঁকে ভাবিবার সময় নাহি পাই। মোরা কেমন বিবেকবান ? যাঁর খাই, যাঁর পরি যাঁর দয়ার বেড়ে যাই, জীবন তরী চলার প্রতিপদে তাঁরই অশুকরিয়া করি। এসো ভাঙ্গি ভুল ভাঙ্গি অসত্য আছে যত নড়িবনা একটি চুল আসুক পথে বাঁধা বিপদ শত। এসো করি প্রার্থনা বিধাতার কাছে করেন যেন তিনি ক্ষমা ভুল- ভ্রান্তি, পাপ যত আছে পরকালে যেন থাকে না কিছু জমা।

দুটি ডানা ।। তারেক রহমান

আমার যদি পাখির মত থাকতো দুইটি ডানা, উড়ে যেতাম নীল আকাশে করতো কে আর মানা? মেঘের দেশে হাওয়ায় ভেসে যেতাম কত শত, রং ছড়াতাম কখনোবা রংধনুদের মত। গাছের ডালে হাওয়ার তালে হতো যাওয়া আসা, স্বপ্নচারী সবুজ পাতার পেতাম ভালোবাসা। উড়ে যেতাম ইচ্ছে হলে ফুল পরীদের হাটে, সোনার থালায় যেথায় থাকে ফুল ছড়ানো মাঠে।

গল্পের রাত স্মৃতি হয়ে থাক ।। মুক্তা

বাবা যখন ক্যান্সার রোগে জরাজীর্ণ রাতটা জেগে বসেছিলাম শুধু-ই বাবার জন্য। বাবার মাথায় বুলিয়েছিলাম যখন হাত বাবা বলে মুক্তিযুদ্ধের গল্পটা শুনে রাখ। রাত জেগে শুনেছিলাম, বাবার যুদ্ধের ইতিহাস শুনে- যেন মনে হলো, কথাগুলো বাবা কেন আরো আগে করলেন না ফাঁস ? যুদ্ধ তো নয় সে মহাযুদ্ধ দেশকে বাঁচাতে রক্তও দিলেন বেশ। ডান হাতে পেয়েছিলেন বুলেটের আঘাত তারপরও শত্র“দের দিয়েছিলেন পাল্টা জবাব। উনিশ শত একাত্তরের যুদ্ধের নয় মাস পরে বাবা ফিরে এসেছিলেন দেশে এরই মাঝে কাটিয়েছিলেন বছর কয়েক ঘুরে ঘুরে- দেশ আর বিদেশ। দুই হাজার নয় সালে, সাতাশ এপ্রিল মরণ ব্যাধি ক্যান্সার- করে দিল জীবনটা শেষ। জাতীয় পর্যায়ে যখন দিল মর্যাদা গর্বে আমার শুধু বুকটা ভরে যায়। সরকারী লোক যখন বাবাকে- করছে স্যালুয়েট বাবার সব দুঃখ- কষ্ট যেন পেলুয়েট। মরণের পরেও বাবা আছে জীবিত সবার মুখে শুনি যখন বাবার স্মৃতি অকপট। বাবা তুমি আছো এখন শুধুই স্মৃতি হয়ে তোমার এ মুক্তিযুদ্ধের গল্প, এই দেশ ভুলবে কি করে? বাবা তোমাকে ভোলা তো যায় না এই স্মৃতির তুলনা তো কোন কিছুইতেই হয়না।

বয়সের খেলা ।। মোহাম্মদ আল মাহী

বয়সটা যখন “শূণ্য” ছিলাম সবার কাছে অনন্য বয়স যখন ‘এক’ নানা আপু বলে উঁকি দিয়ে তোর বাবাকে দেখ। বয়সটা যখন হয়েছিল পূর্ণ ‘এক’ পাপা আবার বিদেশেতে করলো যে নধপশ। বয়সটা যখন হয়েছিল হলো ‘ছয়’ ফিরে এসে দেখল বাবা ছেলেতো ‘পাপা’ কয়। চলছিল যখন বয়স ‘সাত’ চুকালাম ‘নানা’ ডাক। বয়সটা যখন ‘আট’ হারালাম পাপা ডাক। বয়স চলছে এখন ‘নয়’ মাঝে মাঝে স্মৃতিগুলো শুধুই কথা কয়। একি পৃথিবীর রীতি সব কিছু আমার কাছে শুধুই যে স্মৃতি।

কুইক ম্যাথ (১ম পর্ব) ।। সারোয়ার সোহেন

সুপ্রিয় বন্ধুরা ! সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। অঙ্ক অনেকের কাছে অনেকটা জিলাপির প্যঁচের মত মনে হয়, তবে জিলাপি যেমন মুখে দিলে সুমিষ্ট তেমনি অঙ্ক বুঝলে সহজ। অঙ্ক নিয়ে কারো কোন সমস্যা, জিজ্ঞাসা, জানতে চাওয়া ইত্যাদি থাকলে আমাদের লিখে পাঠাতে পারেন। আপনাদের জিজ্ঞাসা, জানতে চাওয়া এবং সমস্যার সমাধান দেবেন সারোয়ার সোহান। ধন্যবাদ সবাইকে।                                                                      - বি.স সেদিন বসে বসে একটি উপন্যাস পড়ছি, তখন আমার ভাগনে নিলয় হঠাৎ এসে হাজির। ও আসলে আমি একটু সংকিত থাকি, হুটহাট প্রশ্ন করে বসে আমাকে। কখনো গণিত নিয়ে, কখনো বিজ্ঞান নিয়ে, কখনোবা সাধারণ জ্ঞানের। আসলে নিলয় যে প্রশ্নগুলির উত্তর জানে না, সেগুলিই এসে আমাকে জিজ্ঞাস করে-করে জেনে নেয়। নিলয় আমার সামনে এসে দাঁড়াতেই আমি বইটি বন্ধ করে ওর দিকে...

সাহাবা চরিত : হযরত সাঈদ ইবনে আমের আল জুমাহী ।। মুহাম্মদ নূর হাসান

আজ তোমাদের এমন এক সাহাবীর কথা শোনাবো, যার নাম হলো- হযরত সাঈদ ইবনে আমের আল জুমাহী (রাঃ)। যার ঘটনা শুনে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারবো। আর বুঝতে পারবো আল্লাহর নবী (সাঃ) এর সাহাবীদের মতাদর্শ ও জীবন প্রবাহ কেমন ছিল। আজো যদি আমরা সেই আদর্শ গ্রহণ করতে পারি তাহলে আমাদের জীবন ও সমাজ পাল্টে যাবে। তাহলে একটু পিছন থেকেই বলতে হয়। হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) এর সাহাবী হযরত খোবাইব (রাঃ) কে বিশ্বাকঘাতকতার মাধ্যমে আটক করে শুলিতে চড়িয়ে হত্যার জন্য আরব নেতৃবৃন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে চারিদিকে দণ্ডায়মান। সেই শোভাযাত্রার অতি সম্মুখে অগ্রগামী ছিলেন যুবক সাঈদ। তারা খোবাইবকে হত্যার মাধ্যমে বদরের যুদ্ধে নিহত কুরাইশদের বদলা নিতে চায়। যখন তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তখন খোবায়েবের শেষ চাওয়া মোতাবেক তাঁকে দু’রাকাত নামায আদায়ের সুযোগ দিয়েছিল। খোবাইব কাবামূখী হয়ে দু’রাকাত সালাত আদায় করছেন। হায়! কতইনা সুন্দর ঐ দু’রাকাত সালাত। কিন্তু অতি দ্রুত শেষ হয়ে গেল মধুর দৃশ্যের সেই দুটি রাকাত। অতঃপর সে দেখল খোবাইব কুরাইশ নেতাদের উদ্দেশ্যে বলছে, যদি তোমরা এই ধারণা না করতে যে, ‘মৃত্যুর ভয়ে আমি সালাত লম্বা করছি’ আল্লাহর শপথ তাহলে আম...

আইকিউ জুন'১১

১। আপনি একটি দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। দৌড়ের এক পর্যায়ে আপনি ২য় অবস্থানকারী খেলোড়ারকে পেছনে ফেলে দিলেন, এখন আপনার অবস্থান কত? (ক) ১ম  (খ) ২য়   (গ) ৩য়   (ঘ)  ৪র্থ ২। আপনার একটি গ্যাসের চুলা, একটি কেরোসিনের চুলা ও একটি কয়লার চুলা আছে। ম্যাচে কেবল একটাই কাঠি আছে। কোনটি আগে জ্বালাবেন? (ক) গ্যাসের   (খ) কেরোসিন  (গ) কয়লা। ৩। আপনি একটি ফুটবল খেলায় রেফারীর দায়িত্ব পালন করছেন। এক সময় গোলপোস্টের নিকটে ফাউল করে এক খেলোড়ার গোল দিয়ে দিল। আপনি কী সিদ্ধান্ত দিবেন ? (ক) উক্ত খেলোড়ারকে কার্ড দেখাবেন। (খ) গোল হিসেবে বিবেচনা করবেন। (গ) পেনাল্টি ধরবেন। (ঘ) সব কিছু বাতিল করবেন। ৪। চারটি পাখির মধ্যে কোনটি সবার চেয়ে বেশি আলাদা? (ক) উটপাখি  (খ) ঈগল পাখি (গ) টিয়া পাখি (ঘ) ময়না পাখি। ৫। মে’১১ সংখ্যায় ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য’ পাতায় কি নিয়ে লেখা ছিল? আইকিউ মে’১১ এর সমাধান : (১) ১০ মিনিট (২) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৩) পরিশ্রমী (৪) জসীম উদ্দিন (৫) নারকেল। ৫টি প্রশ্নের সঠিক জবাব দিয়েছেন-  সামিরা সুলতানা, নবম শ্রেণী, লক্ষ্মীপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর।...

ব্রেইনের জন্য ১০টি খারাপ অভ্যাস

প্রতিনিয়ত অভ্যাসবশত আমরা কিছু কাজ করে থাকি যা আমাদের ব্রেইনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই ব্রেইনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সতর্ক হওয়ার জন্য জেনে নেয়া যাক সেই অভ্যাসগুলো। ১. সকালে নাশতা না করা : আমরা অনেকেই ব্যস্ততার কারণে সকালের নাশতা না করেই বাসা থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যাসটা খুব খারাপ। কারণ সকালে নাশতা না করলে নিম্ন রক্ত শর্করার কারণে আমাদের ব্রেইনে পর্যাপ্ত শর্করা তথা পুষ্টি পায় না। এতে করে ধীরে ধীরে ব্রেইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ব্যস্ততা সত্ত্বেও সকালের নাশতা করতে ভুলে যাবেন না। ২. অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণ : অনেক সময় আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণ করি। ধারণা করা হয়, মাঝে মাঝে এরকম অতিরিক্ত ডায়েটে কী আর হবে! কিন্তু ধারণাটা ভুল। কারণ অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণের অভ্যাস আমাদের ব্রেইনের রক্তনালীর ইলাস্টিসিটি নষ্ট করে দেয়, ফলে অনেক ধরনের মানসিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। তাই সর্বদা সচেতন হোন এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণে বিরত থাকুন। ৩. ধূমপান : ধূমপান নানা রোগের অন্যতম কারণ। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব বলে শেষ করে যাবে না। তাই যারা ধূমপান করেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা ধূমপ...

হাসুন প্রাণ খুলে

একবার এক প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ডে যাবে সেখানকার প্রেসিডেন্টের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য। কিন্তু সমস্যা হলো প্রেসিডেন্ট ইংরেজী কথা বলতে পারেন না। তাই তাঁর পরিদর্শক তাকে শিখিয়ে দিলেন যে, ‘স্যার, আপনি যাওয়ার সাথে সাথে ইংল্যান্ডের প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসা করবেন How are you? (আপনি কেমন আছেন) তখন তিনি উত্তর দেবেন ও I'm fine? তখন আপনি বলবেন, ও Me too (আমিও)। প্রেসিডেন্ট সেখানে পৌঁছলে ইংল্যান্ডের প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসা করলেন, Who are you (আপনি কে) তখন তিনি অবাক হয়ে ভাবলেন আমি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। আমাকে জিজ্ঞাসা করছে আমি কে? তখন তিনি অন্যভাবে উত্তর দিলেন, I am husband of Hilary Klinton. (আমি হিলারী ক্লিন্টনের স্বামী)। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট তা না বুঝতে পেরে বললেন, Me too (আমিও)। সংগ্রহে :  মেহনাজ বিনতে সিরাজ রায়পুর, লক্ষ্মীপুর থেকে।    শিক্ষক ক্লাশে পড়াচ্ছেন। সকল ছাত্র- ছাত্রী মনোযোগ সহকারে শিক্ষকের কথা শুনছেন। কিন্তু একটা দুষ্টু ছেলে অমনোযোগী হয়ে একটি ইঁদুরের গর্তের মধ্যে তাকিয়ে রইল। তারপর শিক্ষক লেকচার শেষে সেই ছাত্রটিকে বলল, কীরে মাথায় ঢুকেছে? ছাত্রটি বলল- মাথাটা ঢুকছে স্...

জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বারের রহস্য

বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকেরই জাতীয়  পরিচয়পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল। এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয়  পরিচয়পত্র। আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে  লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি। কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি? ১। এর প্রথম ২ সংখ্যা - জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬। ২। পরবর্তি ১ সংখ্যা - এটা আর এম ও (জগঙ) কোড। সিটি কর্পোরেশনের জন্য - ৯ ক্যান্টনমেন্ট - ৫ পৌরসভা - ২ পল্লী এলাকা - ১ পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা - ৩ অন্যান্য - ৪ ৩। পরবর্তি ২ সংখ্যা - এটা উপজেলা বা থানা কোড ৪। পরবর্তি ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য) ৫। শেষ ৬ সংখ্যা - আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর। বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল!

জানা, আবার অজানও হতে পারে

জলের হাতি বা জলহস্তি পানির নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে। ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে। কাঠঠোকরা এতো যে কাঠ ঠোকড়ায় তাতে ওর মাথা ব্যথা হয় না? না, হয় না। কারণ কাঠঠোকরার খুলির চারপাশে অনেকগুলো বায়ু প্রকোষ্ঠ আছে, যা নরম কুশনের কাজ করে। ভালুক অলস হলে কি হবে, সে প্রতি ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার (৩০ মাইল) গতিতে দৌড়াতে পারে। তুমি তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাও। কিন্তু জানো কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়। পৃথিবীর ওজন কতো জানো? ৬৬-এর ডানপাশে ২০টি শূন্য বসালে যে সংখ্যাটি হয় সেটাই পৃথিবীর ওজন। এবার নিজেই হিসেব করে দেখো। গিরগিটির জিহ্বার আকার তার শরীরের চেয়েও বড়। যতো বড়ো মোবাইল নয় তত বড় সীম, আর কি! একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমাণ বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহণ করে তা দিয়ে একটি নয় ১০০০টি বেলুন ফোলানো সম্ভব। ২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট ২২৪৯ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট জয় করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন প্রায় ১৮৬ জন। গ্রন্থণায় ঃ জ. রহমান সূত্র ঃ ইন্টারনেট

পানি ভেজা কেন ?

লোহা শুকনা, পানি ভেজা এসব প্রকৃতির স্বাভাবিক ঘটনা বলে আমরা জানি। সুতরাং এর কারণ খোঁজার বিষয়টি আমরা সাধারণত ভাবি না। পানি তো ভেজা হবেই। আমি পুকুরে ডুব দিলে আমার গায়ে পানি লেগে থাকে। শরীর ভিজে যায়। পানি আর ভেজা এই শব্দ দুটি সমার্থক বলে মনে হয়। কিন্তু আসলে তা নয়। যেমন: এক গ্লাস পানিতে মোমবাতি ডোবালে সেটি কিন্তু ভিজবে না। তার মানে পানি সবসময় সবকিছু ভেজাতে পারে না। পানির অণুগুলো যদি কোনো পদার্থের অণু দ্বারা আকৃষ্ট হয়, তাহলেই তা ওই পদার্থে লেগে থাকবে অর্থাৎ ভিজিয়ে দেবে। গায়ের চামড়া যদি পানির অণুকে আকর্ষণ না করত, তাহলে পানিতে আমাদের শরীর ভিজত না। পানির অণুগুলো একেকটা ছোট চুম্বকের মতো, তারা একে অপরকে আকর্ষণ করে মিশে থাকে। পানির হাইড্রোজেন বন্ডের মাধ্যমে এই আকর্ষণ শক্তি কাজ করে। অন্য কোনো পদার্থের মধ্যে যদি এ রকম হাইড্রোজেন বন্ড থাকে, তাহলে তার সঙ্গে পানি মিশে যাবে এবং ভিজিয়ে দেবে। আমাদের গায়ের চামড়ার প্রোটিন, কাঠ, কাগজ, তুলা, কাপড় ও অন্যান্য জৈব পদার্থে এ ধরনের অণু থাকে। তাই এগুলো পানির সংস্পর্শে এলে ভিজে যায়। কিন্তু মোম বা তেলতেলে পদার্থ পানিকে আকর্ষণ করে না। তাই এগুলোর পরিপ্রে...