Skip to main content

Posts

Showing posts from December 15, 2013

নাগরিক অভিমত- নির্বাচনের নামে দেশে একটা তামাশা হচ্ছে by রফিক-উল হক

নির্বাচনের নামে দেশে একটা তামাশা হচ্ছে। ৩০০ আসনের সংসদের অর্ধেকের বেশি আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। এমন আজগুবি নির্বাচন এর আগে কেউ কোথাও দেখেছে কি না, সন্দেহ আছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও এ ব্যাপারে কিছুই বলছে না। বিএনপির নেতারা দেখি এখন সরকারি দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাতে কোনো দলই অবস্থান পরিবর্তন করবে—এমন আভাস পাওয়া যায় না। তা হলে এ আলোচনা কী জন্য, বুঝি না। এদিকে নির্বাচন তো যেকোনোভাবে হয়েই যাচ্ছে। এরশাদ সাহেব কখন কী বলেন, কী করেন, তা বোঝা যায় না। তাঁর স্ত্রী, জাতীয় পার্টির আরেকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলছেন আরেক কথা। তাঁদের দলের অনেকের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলো। অনেকের হলো না। কেন হলো, আর কেন হলো না, কেউ বলতে পারে না। অন্যদিকে হরতাল-অবরোধে সারা দেশে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মানুষের সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। লুটপাটও হচ্ছে। সব মিলিয়ে খুবই একটা খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই এর ভুক্তভোগী হচ্ছি। আরও কত দিন ভুগতে হবে, কেউ জানে না। নির্বাচন ...

সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো by হোসেন জিল্লুর রহমান

আগামী ৫ জানুয়ারি যে সাধারণ নির্বাচনের জন্য দিনক্ষণ নির্ধারিত আছে, সেই নির্বাচন ঘিরে প্রহসনের চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এটা অনেকটা সমঝোতার ভিত্তিতে একাধিক ঠিকাদারের মধ্যে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো হয়ে গেছে। এ ধরনের নির্বাচন সরকারের বৈধতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। দেশে রাজনৈতিক অঙ্ক আরও ঘনীভূত হবে। বর্তমান সরকার এখনো বৈধতার প্রশ্নে চূড়ান্ত সংকটে পড়েনি। কিন্তু যে ধরনের নির্বাচন হচ্ছে, তাতে এই নির্বাচনের পর সব মহল থেকে সরকারের বৈধতার প্রশ্ন উঠবে। সেদিক বিবেচনায় আমরা বলতে পারি, বর্তমানে যে সংকট চলছে, তার চেয়ে আরও বড় সংকট ঘনিয়ে আসছে। সেই সংকট কীভাবে নিরসন করা যাবে, সে বিষয়ে বোধ হয় দেশবাসীর প্রস্তুত হওয়া দরকার। এ ধরনের একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বর্তমান নির্বাচন কমিশনও প্রশ্নবিদ্ধ হলো। তাদের অধীনে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচন দেশবাসী মানবে কি না, সে প্রশ্ন এখন বড় হয়েই দেখ দিয়েছে। আমাদের দেশে আশির দশকে অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসনামলে দেখা গেছে ভোটারবিহীন নির্বাচন। অর্থাৎ নির্বাচন হবে, কিন্তু তাতে ভোটারদের প্রয়োজন নেই। এখন আবার আশির দশকের সেই বাস্তবতা ফিরে এসেছে। এবার ...

এমন হাস্যকর নির্বাচন মানুষ চায় না by রাশেদা কে চৌধূরী

দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন একটি হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আমাদের দেশের প্রজ্ঞাবান রাজনীতিকেরা এটা কী করছেন, তা বুঝতে পারছি না! তবে একজন ভোটার হিসেবে আমি এমন নির্বাচন কখনোই চাই না। দেশের কোনো সাধারণ মানুষই এ রকম নির্বাচন চায় বলেও মনে করি না। ভোটারবিহীন নির্বাচনের মতো প্রার্থীবিহীন এই নির্বাচন রাজনীতিকদের জন্য মোটেই সম্মানজনক হবে না। তেমনি জনগণের জন্যও এই নির্বাচন কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না। সর্বসাধারণের কাছেও এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই এ ধরনের নির্বাচনের ফলাফলকে জনগণের রায় বলা বা মেনে নেওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব হবে না। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ সারা পৃথিবীতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির একটি মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ ধরনের একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন সেই উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে দেশের সব অর্জনকে ম্লান করে দেবে। এ ধরনের নির্বাচন দেখে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও বড় একটি আশঙ্কা জনমনে সৃষ্টি হয়েছে, তা হলো প্রধান বিরোধী দল ছাড়া এ ধরনের একটি নির্বাচন কি দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে পারবে? এখন যে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, নির্বাচন...