Skip to main content

Posts

Showing posts from April 30, 2011

আল কুরআন : সালাম দিয়ে গৃহে প্রবেশ করা

“হে মু’মিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ছাড়া অন্য কারো গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি না নিয়ে এবং তাদের সালাম না করে প্রবেশ করো না। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, আশা করা যায় যে, তোমরা এর প্রতি অবশ্যই খেয়াল রাখবে। (সূরা আন নূর- ২৭)" রাসুল (সা) বলেছেন কথার পূর্বে সালাম দেওয়ার জন্য সালাম মানে একে অন্যের জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা। এটি আমাদের জন্য রাসুল (সা) এর পক্ষ থেকে পালিত একটি সুন্নাত। এজন্য পরিচিত এবং অপরিচিত কারো ঘরে প্রবেশ করতে হলে সালাম দিয়ে অনুমতি নিতে হয়। এতে কোন ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয় না বা বিব্রত কর পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হয় না। প্রিয় বন্ধুরা, সালামের মাধ্যমে আমরা একে অন্যের মঙ্গল কামনা করব আর কারো গৃহে প্রবেশ করার পূর্বে সালাম দানের মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করব। গ্রন্থণায় : গোফরান হোসাইন

সম্পাদকের কথা

কিশোর বন্ধুরা ! আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছো, সুস্থ আছো। জ্যৈষ্ঠ মানেইতো মধুমাস! কত রকম ফলের সমাহার ! আম, জাম, লিচু, কাঁঠালের নাম শুনলেই জীবে পানি চলে আসে। ফুলে ফলে ভরপুর আমাদের এ সবুজ ভূখন্ড! কতইনা সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন তিনি। তার শুকরিয়া আদায় করতে হবে। পুরো জ্যৈষ্ঠ মাসই কিন্তু গরমের দাবদাহ চলবে। এজন্য শরীর স্বাস্থ্যের দিকে একটু বেশি নজর দিতে হবে। শিশু শ্রম নিষিদ্ধ, তারপরও দেখোনা আমাদের আশে পাশে কত শিশু শ্রমিক রয়ে গেছে। আমরা কি পারিনা তাদের হাতে বই তুলে দিতে? পারিনা একটু ভালোবাসা দিতে ? তাহলে তারাও আমাদের মত বেয়ে উঠবে স্বাভাবিক ভাবে, বিকশিত করবে প্রতিভা। এগুলো কঠিন কিছু নয়। আমরা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ  করলে সবই সম্ভব। এসো ভালোবেসে কাছে টেনে নিই সেই সব অবহেলিত, বঞ্চিত চারপাশের শিশু কিশোর বন্ধুকে। তারওতো আমাদের ভাই! আমাদের বন্ধু! আজ এ পর্যন্তই! আল্লাহ হাফেজ।

আল হাদীস : মু’মিন মহাব্বত ও দয়ার প্রতীক

“হযরত আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, মু’মিন মহব্বত ও দয়ার প্রতীক। ঐ ব্যাক্তির মধ্যে কোন কল্যাণ নেই যে কারো সাথে মহাব্বত রাখেনা এবং মহব্বতে প্রাপ্ত হয়না। (মুসনাদে আহমদ) মানুষ সামাজিক জীব, একে অন্যের ভালোবাসা এবং সহযোগিতায় বেঁচে থাকে। মানুষের প্রতি মানুষের দয়া, মায়া ও ভালোবাসা দেখানো রাসূল (সাঃ) এর উত্তম আদর্শ। অপরের দয়া ও ভালোবাসা পেতে হলে আমাদেরকে সৎ মানুষ হতে হবে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছেÑ ‘নিশ্চয়ই সৎকর্মশীল মুমিনদের জন্য দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের অন্তরে) ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন। (সূরা মরিয়ম- ৯৬) সুপ্রিয় বন্ধুরা, আমরা একে অন্যের দয়া ও ভালোবাসা পেতে হলে আল্লাহর হুকুম মত চলতে হবে এবং সমাজের ধনী- গরিব সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। গ্রন্থণায় : গোফরান হোসাইন

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ ।। মোকাররম হোসেন

পহেলা বৈশাখ -এর উৎসব আমেজ, বৈশাখী মেলা, হালখাতা, আরো নানান মজার পর তার আমেজ শেষ হতে না হতেই চলে আসে জৈষ্ঠ্য মাস। এই মাসটি আমাদের কাছে মধুমাস নামেও পরিচিত। কারণ মিষ্টি মধুর অনেক ফল পাওয়া যায় এ মাসে। শুধু তাই নয়, সারা বছরের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি ফল পাওয়া যায় জ্যৈষ্ঠ মাসে। এমন দিনে বিচিত্র ফলের মধুগন্ধে ভরে ওঠে চারপাশ। মধুমাসকে ঘিরে শিশুদের উৎসাহ গ্রামেরই বেশি চোখে পড়ে। জ্যৈষ্ঠ মাসের ফলের তালিকা এতই দীর্ঘ যে সবার পছন্দের কিছু না কিছু ফল তখন বাজারে থাকে। গ্রামে যাদের ফল কেনার সামর্থ্য নেই তারাও এ মৌসুমে একেবারে বঞ্চিত হয় না। কারণ আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল হলেও কোনো বাড়িতে একটিও আমগাছ নেই, এমন দেখা যায় না। এক সময় তো এ দেশে ফলের প্রাচুর্যও ছিল। নিজের বা পরের গাছ বলেও তেমন কোনো বিধিনিষেধ ছিলো না। অন্তত শিশুদের জন্য বাগানের পরিধি কখনই সীমিত ছিলো না। এখন শহরের মানুষতো বটেই গ্রামের মানুষকেও ফল-ফলারির জন্য বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবুও মজার মজার ফল নিয়ে প্রতি বছরই জ্যৈষ্ঠ আসে মধুমাস হয়ে। ফল হোক সে নিজের বাগানের কিংবা বাজারের, তার স্বাদ পেতে কম বেশি সবারই ভালো লাগে। কাঁঠাল জাতীয় ফল হলেও সে তুলনায় আম ...

পহেলা মে ।। শাহাদাত হোসাইন সাদিক

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস মে দিবস নামেও পরিচিত। মে মাসের প্রথম দিনটিকে পৃথিবীর অনেক দেশে পালিত হয়। বেশকিছু দেশে মে দিবসকে লেবার ডে হিসাবে পালন করা হয়। এদিনটি সরকারীভাবে ছুটির দিন। পহেলা মে সারা বিশ্বের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের সংগ্রামী ঐতিহ্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের এক স্মরনীয় ও আন্তর্জাতিক এবং সংহতির উদযাপনের এক অনন্য দিন  মহান মে দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এই দিবসটি শ্রেনী বৈষম্যের অবসানের লক্ষ্যে সংকল্পবদ্ধ ও সংগঠিত হয়। ১ মে শুধু একটি দিবসই নয়, একটি ইতিহাস, একটি ঘটনা। ১৮৮৬ সালের ১লা মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর শহরে ৮ ঘন্টা শ্রম দিবস, মজুরি বৃদ্ধি তথা ন্যায্য মজুরি, কাজের উন্নত পরিবেশ ইত্যাদির দাবিতে ১লা মে একটি শ্রমিক সংগঠন ধর্মঘটের ডাক দেয়। এই ধর্মঘটে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক যোগ দেয়। বর্বর  ও পিশাচিক পন্থায় সে ধর্মঘট দমন করা হয়। শ্রমিকদের এক সমাবেশে পুলিশ গুলি চালায় এর ফল স্বরূপ পরের দিন সে মার্কেটে শ্রমিকরা প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হলে কারখানার মালিকরা সেখানে বোমা বিস্ফোরন ঘটায়, ফলে শ্রমিক নেতাসহ ১১জন প্রাণ হারায়। সংঘটিত ঘটনা ও পরবর্তী ঘটনাবলী থেকে এই দিবসের উৎপত্...

হায়েনা ।। নিজাম কুতুবী

একবার একটি হায়েনার ইচ্ছে হয়েছিল মানুষের সঙ্গে বসবাস করতে। হায়েনাটি মানুষের মত করে মানুষের রূপে মানুষের শহরে বসবাস পাততে চেয়েছিল। হায়েনাটি সেই উদ্দেশ্যে পাতালপুরি থেকে হাজার মাইল পথ-ঘাট-নদী মাঠ পেরিয়ে হাজির হলো একটি মানুষের শহরে। এই শহরে এসে সে দেখতে পেলো, কিছু মানুষ একজন মানুষের পদার্পনের অপেক্ষা করছে। লোকটির আগমনের বার্তায় ফুলের পাঁপড়ি ছিটাচ্ছে তার পদপ্রান্তে। ঠিক এমুহুর্তে হাজির হলো একটি লাল মোটর কার। চারদিক থেকে চারজন ছুটে এসে দরজা খুলে দিল। লাল মোট গাড়ি থেকে বের হলো লাল পোশাকে আচ্ছাদিত একটা লাল মানুষ। হায়েনাটির মনে হলো, মানুষটির পরনে কোন কাপড় নেই। তার কোন হৃদয়ও নেই। হয়ত মানুষটি কোন দিন সূর্যের আলো দেখেনি। জোস্নারাতও তার নজর কাড়েনি। চাঁদের আলোয় ভেজেনি তার শরীর। মানুষটি হেঁটে হেঁটে একটি বিরাট অট্টালিকায় প্রবেশ করলো যা আকাশ ছুঁয়েছে। মানুষটা একটা উঁচু আসনে বসলো যা মানুষের হাড় আর খুলি দিয়ে তৈরী। আরো একটু পরে হায়েনাটি একটা রোমহর্ষক দৃশ্য দেখল। অট্টালিকার ভেতর একটা খুঁটিতে একজন মানুষ বাঁধা আর পাশেই রাম-দা হাতে দাঁড়িয়ে আছে আর একটা মানুষ। মানুষটা রাম-দার এক কোঁপে বাঁধা লোকটার একটা হাত বিচ্ছ...

চাষী ও রাজকন্যা ।। আমিনুল ইসলাম চৌধুরী

চাষী ও রাজকন্যা  আমিনুল ইসলাম চৌধুরী অনেক অনেক দিন আগের কথা। বরেন্দ্র নামের জায়গায় বাস করত এক চাষি। কিন্তু সে ছিল বেজায় বোকা। মা ছাড়া কেউ ছিল না তার। যথারীতি সে একদিন মাঠে গেল কাজ করতে। কাজ করতে করতে সে গাছতলায় ঘুমিয়ে পড়ল। উঠে দেখল, তার কাস্তে গরম হয়ে গেছে। সে কেঁদে বলতে লাগল, ‘আমার কাস্তের জ্বর এসেছে, আমার কাস্তের জ্বর এসেছে।’ এ সময় এক প্রবীণ লোক ওই দিকেই যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, তোমার কাস্তেকে জলে ভিজিয়ে রাখো, জ্বর কমে যাবে। চাষি কাস্তেটা জলে ভিজিয়ে তুলে দেখল, কাস্তের জ্বর কমে গেছে। এর পরের দিন চাষির মায়ের প্রচণ্ড জ্বর এল। সে কোনো ডাক্তার না এনে তাকে জলে ডুবিয়ে রাখল। তার মা মারা গেলেন। চাষি তখন কিছুই খায় না। নদীর পাড়ে বসে থাকে সব সময়।একদিন একটি শেয়াল যাচ্ছিল ওই দিকে। সে চাষির দুঃখের কথা শুনে বলল, ‘শোনো চাষি, তুমি যদি আমার কথা শোনো, তবে আমি তোমাকে রাজার মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেব।’ তবে এখন তোমাকে বাড়ি গিয়ে খেয়েদেয়ে মোটাসোটা হতে হবে। শেয়াল আরও বলল, এই এক মাস সে যেন শুধু কাপড় বোনে আর খাদ্যশস্য উৎপাদন করে। চাষি শেয়ালের কথামতো কাজ করে চলেছে। শেয়াল তো তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সে ঘটকালি করতে করতে এ...

বিস্ময় ।। গাজী গিয়াস উদ্দিন

বিস্ময় গাজী গিয়াস উদ্দিন অথই জলরাশির হাবুডুবুর পাশে যে আশ্রয় ও নিরাপত্তা দাবানলের দাউদাউর পাশে অক্ষত থেকে মনুষ্যত্বহীন পশুত্বের অভিশাপের পাশে এ পবিত্রতা হিংস্র শ্বাপদ সংকুল ভয়ংকর ছোবল থেকে সুনামির মতো মহাদূর্যোগের আশংকায় আমার জীবন ও কর্মের এ সুরক্ষা এ নিরাপদ বিস্ময়; শৈশব থেকে বার্ধক্যের দিকে কালের এ শ্লথ গতি চির জীবন যৌবনের এ স্বপ্নদোল আকাংখা যুবতী জায়াপুত্র আত্মজা সহায় সম্মান প্রাচুর্য ঐশ্বর্য প্রতিযোগিতায় বসবাসের সকল রোদ বৃষ্টি সবুজ বেষ্টিত প্রার্থনার কসমঃ আমি তৃপ্ত আপ্লুত, আমি বিস্মিত অভিভূত হরদম। আমি শুণ্য আমি প্রকান্ড আমি মানুষ ও দৌতার মহাধন সুরের মাঝে অসুরের বিরুদ্ধে আমি মৃত্যুকে করি আলিঙ্গন। ১৮/০৩/১১

ঝড়ের দিনে বিদ্যুৎ কর্মী ।। তাজুল ইসলাম

ঝড়ের দিনে বিদ্যুৎ কর্মী তাজুল ইসলাম ঝড়ো দিনের ঝড়ো হাওয়া, গুড়ুম গুড়ুম ডাক আমায় ডেকে বলে,ওরে নাওয়া-খাওয়া রাখ । নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে, প্রস্তুত হয়েছি যেই চারদিকে সবই আছে,তবু কি যেন কি নেই । বন্ধ হলো কলকারখানা,বন্ধ লাইট-ফ্যানএবার লড়াই করতে হবে,লড়াই ধ্যান-জ্ঞান । মুচকি হাসে গাছপালা আর বৃষ্টি ঝড়ো হাওয়া অনেক লড়াই করে গেল,সমস্যাটাকে পাওয়া । সমাধানটা করার পরে যা ছিলোনা এলো আমার গায়ে ময়লা কাপড়,চুল এলোমেলো । কেউবা হাসে,কেউবা বলে,কে করে এই কাজ? আমিও হাসি, ভালবাসি এটাকেই খুব আজ ।

স্বাধীনতা ।। শারমিন সুলতানা

স্বাধীনতা শারমিন সুলতানা স্বাধীনতা স্বাধীনতা যারা আনলো ভাই, তাদের কাছে সালাম আমার পৌঁছে দিতে চাই। স্বাধীনতা আনতে গিয়ে রক্ত দিল যারা, তাদের জন্য দোয়া করি যারা সর্বহারা। স্বাধীনতার জন্য যারা দিল তাদের প্রাণ, তাইতো মানুষ গেয়ে যায় তাদের ত্যাগের গান।

তারেক রহমান'র দু'টি কবিতা

একটি ফুল একটি ফুল ফুটল যখন ডাকলো দূরের পাখি একটি শিশুর ঘুম ভেঙ্গেছে মেলে দু’টি আঁখি। সূর্যি মামা উঠে যখন ছড়িয়ে দিলো আলো ভোরের আলো উঠলো হেসে দূর হলো সব কালো। একটি ফুল ফুটলো যখন সবুজ পাতার আড়ে উঠলো কেঁদে ছোট্ট শিশু বদ্ধ ঘরের দ্বারে। একটি ফুল ফুটলো যখন জাগলো ভ্রমর মাছি কাজের মানুষ লাগছে কাজে এসে কাজে কাজে। আমাদের গ্রাম আমার কেবল ইচ্ছে করে বিলের ধারে থাকতে, ধানের ক্ষেতে লুকিয়ে থেকে পাখির মত ডাকতে। ধানের ওপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে, যে দেশেতে ভোরের দোয়েল কিছি মিছি ডাকে। যখন ঘুরে দাঁড়াই বাতাসের মধ্য খানে তখনি বাজে কানে একটি সাড়া, মা আমার ঢেঁকিতে ধানভানে। ধান ক্ষেত ঘেরা সীমাহীন মাঠে মাঠে এই সব ছোট ছোট গ্রাম। কই মাছ কান বেয়ে ওঠে যায় ভাসমানো পুকুর থেকে জল ভরা মাঠে, আমরা সবাই জানি ছোট বেলা থেকে। সবুজ ধানের ক্ষেতে পাকা ফসলের গন্ধ, যে ক্ষেত আমরা দেখেছি বহু দিন ভরে। সোনালী ধানের পাশে অসংখ গ্রাম আমাদের এই সোনার দেশ, সোনার ধান জন্মালো এই সব গ্রামে, এই গ্রাম আমার জম্ম ভূমি।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য : হারিয়ে যাচ্ছে পালকি ।। জহির রহমান

চিরায়ত গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের ধারক পালকি আর চোখে পড়ছে না। পালকিও কোন কোন খানদানি বাড়িতে অচল হয়ে পড়ে আছে। কিংবা মিউজিয়াম পিস হয়ে কালের স্থানু সাক্ষী হয়ে আছে জাদুঘরে। বেহারাদের সুর করে সেই কিনু গোয়ালার গলি ঘুরে মাঠ প্রান্তর পেরিয়ে গন্তব্যের কাছে দূর থেকে সেই ছয় বেহারাদের আর দেখা যাচ্ছে না। তাদের ছন্দিত লয়ে হাঁটার সাথে সাথে এ গাঁও থেকে ওগাঁয়ে নাইয়র, বিয়ের কনে-বর কিংবা মান্যগণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার এ চক্রবিহীন যান সম্ভবত তার অন্তিম প্রহর গুনছে। ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্র নাথ দত্তের ভাষায়, রবীন্দ্রনাথের কবিতায়, হেমন্তের গানে কিংবা ভূপেন হাজারিকার মাদল মাদক তানে চলা পালকি এখন ঐতিহ্যের খাতায় নাম লেখাচ্ছে। সেই ন্যাংটা পুঁটো ছেলেটা আর বলে না পালকি চলে, পালকি চলে ঃ আদুল গায়ে যাচ্ছে কারা — যাচ্ছে কারা হনহনিয়ে। রবি ঠাকুরের ’বীরপুরুষ’ কবিতার খোকা তার মাকে পালকিতে নিয়ে যাওয়ার সময় লড়ে না ডাকাতের সাথে যখন ওরা আসে তেড়ে ‘হারে রে রে’ বলে। সেই ভীষণ যুদ্ধের বর্ণনাও দিতে পারে না মাকে। মাও বলতে পারেন না , ভাগ্যে খোকা ছিল তাঁর সাথে। দাদা তার সদ্য বিয়ে হওয়া দিদিটিকে আর বলে না, এ কটা দিন থাক না দিদি , কেঁদে কেটে...

১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ = ১০০ ।। সারোয়ার সোহেন

১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলিকে একবার মাত্র ব্যবহার করে ১০০ তৈরি করার চেষ্ঠা করেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া ভার। যারা চেষ্টা করে সমাধান পেয়েছেন তাদের অভিনন্দন আর যারা পাননি তারা একবার চোখবুলাতে পারেন আমার এই টপিকটিতে। উপরের সমীকরণে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত অংকগুলির মাঝে যেকোনো স্থানে যেকোনো গাণিতিক চিহ্ন বসিয়ে সমাধান করতে হবে, চাইলে একাধিক অংক একসাথে নিয়ে কাজ করা যাবে। কিন্তু কোনো রকম ভাবেই ক্রমানুসার ভাঙ্গা যাবেনা। বলতে পারেন এভাবে কতটি সমাধান করা সম্ভব…… ১) ১+২+৩+৪+৫+৬+৭+৮×৯ = ১০০ ২) ১২৩+৪-৫+৬৭-৮৯ = ১০০ ৩) ১২৩+৪×৫-৬×৭+৮-৯ = ১০০ ৪) ১২৩-৪৫-৬৭+৮৯ = ১০০ ৫) ১২৩-৪-৫-৬-৭+৮-৯ = ১০০ ৬) ১২+৩৪+৫×৬+৭+৮+৯ = ১০০ ৭) ১২+৩৪-৫+৬×৭+৮+৯ = ১০০ ৮ ) ১২+৩৪-৫-৬+৭×৮+৯ = ১০০ ৯) ১২+৩৪-৫-৬-৭+৮×৯ = ১০০ ১০) ১২+৩+৪+৫-৬-৭+৮৯ = ১০০ ১১) ১২+৩+৪-৫৬÷৭+৮৯ = ১০০ ১২) ১২+৩-৪+৫+৬৭+৮+৯ = ১০০ ১৩) ১২+৩×৪৫+৬×৭-৮৯ = ১০০ ১৪) ১২+৩×৪+৫+৬+৭×৮+৯ = ১০০ ১৫) ১২+৩×৪+৫+৬-৭+৮×৯ = ১০০ ১৬) ১২+৩×৪-৫-৬+৭৮+৯ = ১০০ ১৭) ১২-৩+৪×৫+৬+৭×৮+৯ = ১০০ ১৮) ১২-৩+৪×৫+৬-৭+৮×৯ = ১০০ ১৯) ১২-৩-৪+৫-৬+৭+৮৯ = ১০০ ২০) ১২-৩-৪+৫×৬+৭×৮+৯ = ১০০ ২১) ১২-৩-৪+৫×৬-৭+৮×৯ = ১০০ ২২) ১২×৩-...

জানা অজানা- ১

* তুমি চোখ খুলে কখনোই হাঁচি দিতে পারবে না। বিশ্বাস না হলে এক্ষুণি চেষ্টা করে দেখা। * তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে! * অক্টোপাসকে কি হৃদয়বান বলা যায়? ওর দেহে যে তিনটি হৃৎপিণ্ড আছে! * ১০০ বছর আগেও বোর্নিওতে মানুষের মাথার খুলি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। * একটি পোকাখেকো ফ্যালকন পাখি তোমার চেয়েও চোখে বেশি দেখে। সে আধামাইল দূর থেকেই একটা ফড়িংকে ঠিক ঠিক শনাক্ত করতে পারে। * অতীতে রোমান সৈন্যরা বিশেষ এক ধরনের পোশাক পরত। এই পোশাকটাই এখন মেয়েদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। পোশাকটার নাম স্কার্ট। * ডলফিন একচোখ খোলা রেখে ঘুমায়। তুমিও একটু চেষ্টা করে দেখো, সম্ভব কি না। * তুমি কি জানো, এক পাউন্ড বিশুদ্ধ তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব! * আমাদের ত্বকের প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ৬২৫টি ঘামগ্রন্থি আছে। ওগুলো এতো সূক্ষ্ম যে তুমি গুনে দেখতে চাইলেও পারবে না। * পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমাণ লবণ আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট পুরু লবণের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে। * গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো! চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্র...

আই কিউ- মে'২০১১

আই কিউ মে'২০১১ ১। যদি একটি শার্ট শুকাতে ১০ মিনিট সময় লাগে তবে ১০টি শার্ট শুকাতে কত সময় লাগবে ? (ক) ১০ মিনিট (খ) ৪০ মিনিট (গ) ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট (ঘ) ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট। ২। নিচের কোন জন অন্যদের থেকে আলাদা ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গ) আল মাহমুদ (ঘ) সুকুমার রায়। ৩। সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই হতে হবে- (ক) রসিক (খ) পরিশ্রমী (গ) বাধ্য (ঘ) ধনী। ৪। পল্লী কবি বলা হয় কাকে ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) ফররুখ আহমদ (গ) সুকুমার রায় (ঘ) জসীম উদ্দিন। ৫। ডাব না খেলে কি হয় ? আইকিউ এপ্রিল’১১ এর সমাধান ঃ (১) ৬টি (২) টাকাটা পুড়ে ফেলবেন (৩) ১৭ টি (৪) প্রেসার বেড়েছে (৫) ডিম (বাচ্ছা জন্মানোর আগেই আমরা খেয়ে ফেলি। বিরাম চিহ্নের প্রতি আরো বেশি যতœবান হতে হবে) তিনটির সঠিক জবাব দিয়েছেন- পূর্ণিমা আক্তার, তারেক হোসেন, সাজিয়া আক্তার সীমা, আবদুস সালাম, মোবারক উল্যা ত্বোহা, আনোয়ার হোসেন, ইমরান মুহাম্মদ, আসমা আক্তার, চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। উম্মে হানি, নতুন বাজার, রায়পুর, আরজুন নাহার (মিতু), হাফিজুর রহমান আকাশ, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাহেদুল ইসলাম রাজু, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর...

হাসির বাকসো

* এক ক্লান্ত পথিক গৃহস্থের বাড়ি উপস্থিত হয়ে পানি চাইল। একটি মাটির পাত্রে করে তাকে দুধ দেয়া হলো। পথিক তো মহা খুশি। এক চুমুকেই অর্ধেকটা দুধ সাবাড় করে দেবার পর সে শুনতে পেল পাশ থেকে একটি ছোট ছেলে তাকে বলছে “কুত্তার  চাটা দুধ কেমন লাগে”!! এ কথা শোনার পর পথিকটি রেগে আগুন হয়ে মাটির পাত্রটি ছুড়ে ফেলে দিল। পাত্রটি মাটিতে পরে ভেঙ্গে যাবার পর ছেলেটি চিৎকার করে বলে উঠল “দাদী দেইখ্যা যাও ব্যাটায় তোমার থুথু ফালানোর বাটি ভাইঙ্গা ফালাইছে”।  সংগ্রহে : রাছেল আল ইমরান এম এম এ কাদের একাডেমী, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। * শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন- শিক্ষক : রূপম, বলতো বিবিসি'তে কি হয় ? রূপম : স্যার, বিবিসিতে বেলা বিস্কুট কোম্পানী। শিক্ষক : ভারী বেয়াদব ছেলেতো ! রূপম : স্যার, আপনারটাও ঠিক স্যার। সংগ্রহে : এম. জে. এইচ জাকির সহকারী শিক্ষক, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। * শিক্ষক ক্লাসে ঘুমাচ্ছেন। হঠাৎ স্কুল পরিদর্শক মহোদয় বিদ্যালয়ে হাজির। তিনি দেখলেন শিক্ষক ক্লাশে ঘুমাচ্ছেন। শিক্ষক ঘুম থেকে জেগে স্কুল পরিদর্শক মহোদয়কে দেখে বললেনÑ এটাকেই ঘুম বলে। সংগ্রহে : সাহেদুল ইসলাম (রাজু) রায়পুর আইডিয়াল...