Skip to main content

Posts

Showing posts from December 13, 2013

একতরফা নির্বাচন সমাধান নয়- তারানকোর সফর

বাংলাদেশের প্রত্যেক শান্তিকামী মানুষেরই প্রত্যাশা ছিল, জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর উদ্যোগটি সফল হবে। বিশেষ করে তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপির নেতাদের যখন একসঙ্গে বসাতে পেরেছেন, তখন নির্বাচন নিয়ে তাঁরা একটি মীমাংসায় আসতে পারবেন। কিন্তু তারানকো তাঁর বিদায়ী প্রেস ব্রিফিংয়ে দুই দলকে একসঙ্গে বসানো ছাড়া কোনো আশার খবর শোনাতে পারেননি। এটি দেশ ও জনগণের জন্য চরম হতাশাজনক। জাতিসংঘের বিশেষ দূত যথার্থই বলেছেন, বাংলাদেশের সমস্যা বাংলাদেশের রাজনীতিকদেরই সমাধান করতে হবে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রধান দুই প্রতিযোগী যদি কোনো বিষয়েই একমত না হতে পারেন এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী মনোভাব পোষণ করেন, তাহলে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান আশা করা কঠিন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে যে অচলাবস্থা চলে আসছিল, তার সহিংস রূপ দেশবাসী প্রত্যক্ষ করছে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য অচল এবং জনজীবন স্থবির হয়ে পড়লেও রাজনৈতিক নেতৃত্বের চৈতন্যোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। সরকার যেমন সংবিধান রক্ষার নামে ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী একটি যেনতেন ন...

অবরোধের শেষ দিনে নিহত ৭- অগ্নিগর্ভ লক্ষ্মীপুর

ব্যাপক সংঘর্ষ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিরোধী জোটের ডাকা দেশব্যাপী টানা ১৪৪ ঘণ্টার অবরোধ। শেষ দিনেও অবরোধকারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে সারা দেশে নিহত হয়েছে অন্তত ৭ জন। লক্ষ্মীপুর শহরের তেমুহনীতে সকালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন সাবুর বাসভবনে র‌্যাব অভিযান চালালে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় র‌্যাবের গুলিতে নিহত হয় ১৮দলের ৪ নেতাকর্মী। নিহতরা হলেন- বিএনপি নেতা মাহবুব হোসেন, যুবদল নেতা ইকবাল মাহমুদ জুয়েল, সুমন ও শিবির কর্মী শিহাব হোসেন। গুলিবিদ্ধ ও আহত হন অন্তত ৫০ জন। এ ঘটনায় শহরের ইসলাম মার্কেট এলাকায় র‌্যাব সন্দেহে জনতার গণপিটুনিতে নিহত হন আরও একজন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও জেলার পুলিশ লাইন ঘেরাও করে রাখে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকাল তিনটার দিকে পুলিশ লাইনে একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে এবং এক ঘণ্টা অবস্থানের পর চলে যায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ওই হেলিকপ্টার থেকে চারটি প্যাকেট নামানো হয়েছে। এ ঘটনায় লক্ষ্মীপুরে আগামীকাল সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে ১৮ দলের। নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভা...

বগুড়ায় ৪৮টি গাড়িতে আগুন দিয়েছে জামায়াত

বগুড়ায় জামায়াত-শিবিরের মিছিল থেকে বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালিয়ে ৪৮টি গাড়িতে আগুন এবং পণ্যবোঝাই ৫০-৬০টি ট্রাক ভাঙচুর করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা একটার পর এসব তাণ্ডব চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বেলা সোয়া একটার দিকে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের বগুড়ার তেলিপুকুর এলাকায় জামায়াত-শিবিরের মিছিল থেকে আকিজ করপোরেশন লিমিটেডের গ্যারেজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে গ্যারেজের ৩৪টি গাড়ি পুড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ আগে বগুড়ার চারমাথা এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে গ্যারেজে রাখা সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অন্তত ১২টি গাড়ি পুড়ে গেছে। বেলা একটার দিকে বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের শাহজাহানপুর ফটকি ব্রিজ এলাকায় দুর্বৃত্তরা ঢাকা থেকে বগুড়াগামী পণ্যবোঝাই ৫০-৬০টি ট্রাক ভাঙচুর করে এবং দুটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সবাই যখন মসজিদে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ছিলেন, তখন জামায়াত-শিবিরের দুর্বৃত্তরা গ্যারেজে গ্যারেজে হামলা চালিয়ে গাড়ি পুড়িয়ে দিতে ব্যস্ত ছিল।  এদের বিরুদ্ধে সর্বত্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা না হলে ...

রাজধানীজুড়ে আগুন, ভাঙচুর, ককটেল

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। আগুন, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণে অনেক এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। পল্টন থেকে ফকিরাপুল, রামপুরা থেকে টেলিভিশন সেন্টার পর্যন্ত রাস্তায় তান্ডব চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। কমলাপুর ও যাত্রাবাড়ীতেও সংঘর্ষ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। জুমার নামাজের পরপরই এসব এলাকায় বিক্ষোভ, ও অগ্নিসংযোগ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফকিরাপুল এলাকায় কয়েকশ’ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী মিছিল শুরু করেন। কিছুক্ষণ পরই তারা বেশ কয়েকটি প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, রিক্সাভ্যানসহ যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুন দেয়া হয় রাস্তার পাশে রাখা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দোকান ও আসবাবপত্রে। আগুন ভাঙচুরে পুরো এলাকায যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে মিছিরকারীরা সরে পড়ে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো এলাকা আগুন ও ধোয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। এদিকে রামপুরা থেকে টেলিভিশন সেন্টার পর্যন্ত এলাকায় একইভাবে আগুন ও ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে বিক্ষোভ করেন জামায়াত শিবিরের কর্মীরা। এ...

ফাঁসির পর জেলায় জেলায় ব্যাপক সহিংসতা, নিহত ২

জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার পর ১০ জেলায় ব্যাপক সহিংসতা সৃষ্টি হয়েছে। সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মহাসড়কে গাছ ফেলে ও গর্ত খুড়ে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ব্রীজের পাটাতন উপড়ে ফেলা হয়েছে। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাচন অফিস ও সরকারি দলের কর্মীদের বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। ফাঁসি কার্যকরের খবর শোনার পর থেকেই শুরু হয়েছে এসব সহিংসতা। সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লক্ষীপুর, বগুড়া, মৌলভীবাজার এলাকায় রাত থেকে আজ সকাল অবধি এসব সহিংসতা হয়েছে। এদিকে কাদের মোল্লার স্মরণে সারা দেশে গায়েবানা জানাজা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত। আজ সকালে নাটোরসহ বিভিন্ন স্থানে জানাজাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুপুরেও বিভিন্ন স্থানে গায়েবানা জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করার পর সাতক্ষীরায় ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর...