প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছেন। অবিরাম জলকামান দাগিয়ে ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ ভন্ডুলের পটভূমিতে তিনি গতকাল বলেছেন, ‘এক-এগারোর কুশীলবেরা আবার সক্রিয়। একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনতে চান।’ এটা সত্যি, নাকি গোয়েবলসীয় প্রচারণা? একজন রহস্যময় আবু সাফার লড়াইটা ছিল এইট পাসের তথ্য প্রকাশ না করা। হঠাৎ তাঁর অশরীরী আবির্ভাব ঘটে আপিল বিভাগে। প্রধান বিচারপতি পদে তখন জে আর মোদাচ্ছির হোসেন, যিনি ইয়াজউদ্দিনের অনুকূলে সেই নজিরবিহীন আদেশটি দিয়ে এক-এগারোর পথ প্রশস্ত করেছিলেন। রাস্তায় রাজনীতিকদের খুনোখুনিটা চোখে পড়ে। কিন্তু সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কী করে রক্তাক্ত হয়, সেখানেও যে ‘ট্রাম্পকার্ড’ চলে, সেটা চোখে পড়ে না। একটি রাষ্ট্রে অনেকগুলো নখদন্তযুক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান অবশ্যই থাকতে হবে। যারা না থাকলে এ ধরনের প্রতিকারহীন স্বেচ্ছাচার ও ধস্তাধস্তি চলতেই থাকবে। অথচ গণতান্ত্রিক পন্থায় কারও প্রতিকার লাভের সুযোগ থাকবে না। যেমন এখন আমাদের অসহায় লাগছে। ক্ষমতাসীনদের সৃষ্ট পুলিশি রাষ্ট্র ও ত্রাসের শাসন প্রতিহত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা...
চট্টগ্রামের সব খবরাখবর