Skip to main content

Posts

Showing posts from December 18, 2013

মিডিয়া ভাবনা- টিভি টক শো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা! by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর

মহাজোট সরকারের নানা সমালোচনা ও ব্যর্থতা রয়েছে, তা সত্য। কিন্তু একটা ব্যাপারে সরকারের প্রশংসা করতে হবে। তাহলো, তাদের সরকারের আমলে গণমাধ্যম সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করেছে। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বিগত পাঁচ বছরে গণমাধ্যমের ওপর তেমন নিয়ন্ত্রণ আসেনি। সংবাদপত্রে কলামিস্টরা স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা লিখেছেন। টিভির টক শোতে আলোচকেরাও স্বাধীনভাবে সরকারের দোষত্রুটি দেখিয়ে দিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদপত্রে সরকারের নানা দুর্নীতি, ভুলনীতি, দলীয়করণ, অপরাজনীতি, ছাত্রলীগের টেন্ডার-বাণিজ্য নিয়ে অসংখ্য অনুসন্ধানী ও সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ ব্যাপারে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা অত্যন্ত সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। যারা পারেনি, তারা তাদের দক্ষতার অভাবে পারেনি অথবা মালিকের আগ্রহের অভাবে পারেনি। সরকার বাধা দেয়নি। সরকারের এই মুক্ত সাংবাদিকতার নীতি প্রশংসনীয়। গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত হলো স্বাধীন সাংবাদিকতা। মহাজোট সরকার গণতন্ত্রের নানা শর্ত লঙ্ঘন করলেও স্বাধীন সাংবাদিকতার শর্তটি বাস্তবায়নে বাধা দেয়নি। মহাজোট সরকার বিদায় নিয়েছে। ক্ষমতায় এখন নির্বাচনকালীন বহুদলীয় সরকার। যেসব দল সরকারে রয়েছে, তারা প্রায় সবাই ...

বিশ্বজিৎ হত্যা: ছাত্রলীগের ৮ জনের ফাঁসি, ১৩ জনের যাবজ্জীবন

পুরান ঢাকায় দরজি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর মধ্যে আটজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ছাত্রলীগের আট কর্মী হলেন রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, মাহফুজুর রহমান ওরফে নাহিদ, জি এম রাশেদুজ্জামান ওরফে শাওন, কাইয়ুম মিয়া, ইমদাদুল হক ওরফে এমদাদ, সাইফুল ইসলাম, রাজন তালুকদার ও নূরে আলম ওরফে লিমন। তাঁদের মধ্যে রাজন তালুকদার ও নূরে আলম পলাতক। বাকি ছয়জন কারাগারে আছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছাত্রলীগের বাকি ১৩ কর্মী হলেন এ এইচ এম কিবরিয়া, গোলাম মোস্তফা, খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন। এঁদের মধ্যে এস এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা কারাগারে আছেন। বাকি ১১ জন পলাতক। ৪ ডিসেম্বর মামলাটির যুক্তিতর...

সহিংস রাজনীতি সমর্থনযোগ্য নয়- অর্থনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি

বিজয় দিবসের আগের দিন দেশজুড়ে ব্যবসায়ী সমাজ সাদা পতাকার প্রতিবাদবন্ধন কর্মসূচি পালন করল। চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনীতি যেভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাতে এবং ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রতি প্রবল অনীহা জানাতেই এই প্রতিবাদবন্ধন কর্মসূচি। কিন্তু তাদের এই বার্তা যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কর্ণকুহরে সেভাবে প্রবেশ করেনি, তা এখন পরিষ্কার। সব অনুরোধ-আহ্বান উপেক্ষা করে বিরোধী দল নবোদ্যমে ৭২ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করল। এর ফলে কয়েক মাস ধরে হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক সহিংসতার যে নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতির ওপর পড়েছে, তা আরও প্রলম্বিত হবে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যে ইতিমধ্যে কতখানি সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে, তা বোঝা যায় প্রথম আলোয় প্রকাশিত একগুচ্ছ প্রতিবেদনে। এসব প্রতিবেদনে সব ধরনের ব্যবসায়ী-শিল্পপতির অসহায় অবস্থা ফুটে উঠেছে। ফুটে উঠেছে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো সময়মতো রপ্তানিপণ্য জাহাজে তুলতে না পেরে চড়া মাশুল গুনছে, ২০ হাজার টাকার ট্রাক ভাড়া লাখ টাকা হয়ে পরিবহন ব্যয় কয়েক গুণ বাড়িয়েছে, স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য জমে গে...

এরশাদ-জিএম কাদের বৈঠক

হাসপাতালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জিএম কাদের। সকাল ১১টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত তারা হাসপাতালে একান্তে কথা বলেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে বৈঠকের বিষয়ে জিএম কাদের কোন কথা বলেননি। এরশাদকে বিদেশ পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে এমন আলোচনার মধ্যেই তার অনুজ দেখা করতে হাসপাতালে যান। ধারণা করা হচ্ছে, দলের পরবর্তী করণীয় নিয়ে এরশাদ জিএম কাদেরকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। সূত্র জানিয়েছে, এরশাদ ও ছেলে এরিখসহ চারজনের পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও এরশাদ দেশের বাইরে যেতে চাইছেন না বলে তার ঘনিষ্টজনরা বলছেন। সম্প্রতি এরশাদের উদ্বৃতি দিয়ে তার বক্তব্য প্রচার করায় তার বিশেষ উপদেষ্ঠা ববি হাজ্জাজকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ববি নিজের ফেসবুক স্ট্যটাসে জানিয়েছেন, তাকে জোর করে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। এদিকে দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এবং জিএম কাদেরের ওপর চাপ রয়েছে। এ কারণে তারা গা বাঁচিয়ে চলছেন। হাওলাদার প্রকাশ্যে খুব একটা আসছেন না। একই অবস্থা জিএম কাদেরেরও। গতকাল এরশাদের মুক্তির দাবিতে জিএম কাদেরের উপস্থিত থাকার কথা ...