Skip to main content

২৯শে ডিসেম্বর খালেদার পরাজয়ের দিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন কোন শক্তি বানচাল করতে পারবে না। দেশের জনগণ নির্বাচন চায়। শুধুমাত্র বিরোধী দল যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে এ নির্বাচনে আসতে চায় না।
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর প্রতিহিংসার আগুনে মানুষ মরছে। তিনি একটি আলটিমেটাম শেষ হলে আরেকটি আলটিমেটাম দেন। কিন্তু কিছুতেই লাভ নেই। আওয়ামী লীগ সভাপতি গোপালগঞ্জসহ দেশের সব ভোটারকে আগামী নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের কাছেও নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। গতকাল নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক জনসভায় এসব কথা বলেন।

গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গীপাড়া (জিটি) উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ গোপালগঞ্জ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংসদ সদস্য শেখ হেলালসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন উন্নয়নের কথা বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জনগণ ও দেশের মঙ্গলের জন্য রাজনীতি করি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ে। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। এমনকি জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে ঘোষণা করেছে বলেও শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন। বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি নেত্রী ও তার পুত্ররা দুর্নীতি করে অর্থ উপার্জন করেছেন। পরে কালো টাকা সাদা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগামী নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সভাস্থলে বিপুল জনসমাগম ঘটতে থাকে।
এর আগে ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নৌকায় ভোট দিন, তাতে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। নৌকা বিজয়ী হলে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হবে।  আমি নির্বাচনের কথা বললে বিরোধীদলীয় নেত্রী আলটিমেটাম দেন, ঘরে বসে আন্দোলনের নামে যারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করছেন, দেশে সন্ত্রাস নৈরাজ্য করে মানুষ হত্যা, জীবহত্যা করছেন তাদেরও বিচার করা হবে। গত ২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপিকে পরাজিত করে জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসে এখন বিরোধী দলীয় নেত্রী ঈর্ষান্বিত হয়ে বিজয়ের মাসেই সমাবেশের ডাক দিয়েছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর ৪ঠা মে ঢাকার সমাবেশ হয়নি এখন ২৯শে ডিসেম্বরের সমাবেশেও জনগণ আসবে না। এদিন তার পরাজয়ের দিন।

Comments

Popular posts from this blog

আই কিউ- মে'২০১১

আই কিউ মে'২০১১ ১। যদি একটি শার্ট শুকাতে ১০ মিনিট সময় লাগে তবে ১০টি শার্ট শুকাতে কত সময় লাগবে ? (ক) ১০ মিনিট (খ) ৪০ মিনিট (গ) ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট (ঘ) ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট। ২। নিচের কোন জন অন্যদের থেকে আলাদা ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গ) আল মাহমুদ (ঘ) সুকুমার রায়। ৩। সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই হতে হবে- (ক) রসিক (খ) পরিশ্রমী (গ) বাধ্য (ঘ) ধনী। ৪। পল্লী কবি বলা হয় কাকে ? (ক) কাজী নজরুল ইসলাম (খ) ফররুখ আহমদ (গ) সুকুমার রায় (ঘ) জসীম উদ্দিন। ৫। ডাব না খেলে কি হয় ? আইকিউ এপ্রিল’১১ এর সমাধান ঃ (১) ৬টি (২) টাকাটা পুড়ে ফেলবেন (৩) ১৭ টি (৪) প্রেসার বেড়েছে (৫) ডিম (বাচ্ছা জন্মানোর আগেই আমরা খেয়ে ফেলি। বিরাম চিহ্নের প্রতি আরো বেশি যতœবান হতে হবে) তিনটির সঠিক জবাব দিয়েছেন- পূর্ণিমা আক্তার, তারেক হোসেন, সাজিয়া আক্তার সীমা, আবদুস সালাম, মোবারক উল্যা ত্বোহা, আনোয়ার হোসেন, ইমরান মুহাম্মদ, আসমা আক্তার, চরপাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর। উম্মে হানি, নতুন বাজার, রায়পুর, আরজুন নাহার (মিতু), হাফিজুর রহমান আকাশ, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাহেদুল ইসলাম রাজু, রায়পুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর...

‘প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও নৈতিক ক্ষমতা আছে’

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একতরফা কোন নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিগত ত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় একতরফা নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হওয়ার কোনো নজির নেই। ৮৬ সালের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারির নির্বাচন হতে যাচ্ছিল তাও গ্রহণযোগ্যতা পেত না। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। গতকাল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নাগরিক হিসাবে উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের যায়গা থেকেই প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে একই সুরে কথা বলেছি। আমাদের মূল আহ্বান ছিল একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচনের জন্য সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের বিষয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা স্পষ্ট করেছি। সন্ত্রাস, সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মসূচিগুলো অবস্থার অবনতি ঘটছে তাও আমরা তুলে ধরেছি। আমরা মনে করি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু সমাধানের আগেই নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণা হয়েছে। এটা আমাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনাদেরকে প্রেসিডেন্ট কি আশার বাণী ...

ফিল্মি কায়দায় ৩ জঙ্গি ছিনতাই by মতিউল আলম, খালিদ মাসুদ, ও সাইফুল ইসলাম সানি

ফিল্মি স্টাইলে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে সাজাপ্রাপ্ত ৩ জেএমবি সদস্যকে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের সাত ঘণ্টার মাথায় টাঙ্গাইল থেকে জঙ্গি সদস্য রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি দু’জনের খোঁজ মেলেনি। এদিকে এ ঘটনার পর সীমান্ত ও দেশের সব কারাগারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজ ও অন্যজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে রাতে গাজীপুর থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ে সহযোগিতার অভিযোগে আটক জাকারিয়ার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সকাল সোয়া ১০টায় আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে ময়মনসিংহের ত্রিশালে। ছিনতাইকৃত আসামিরা হলো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সালাউদ্দিন সালেহীন, রাকিব হাসান এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বোমা মিজান। ঘটনার সময় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলি ও বোমার আঘাতে আতিকুর রহমান (৩২) নামে পুলিশের এক কনস্টেবল নিহত ও দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। গুলিবিদ্ধ এসআই হাবিবুর রহমান (৫০) ও সোহেল রানাকে (৩০) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  নিহত আতিকের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পণ ঘাগড়া গ্রামে। এ ঘটনার পর পালানোর সময় টাঙ্গাইলের সখিপুর থেকে জা...