ভারতের মুজাফ্ফরনগরের রিলিফ ক্যাম্পে অবশেষে ১১টি শিশুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। দাঙ্গা পরবর্তী সময়ে অব্যবস্থাপনার কারণে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
একটি অনানুষ্ঠানিক রিপোর্টে আবার দাবি করা হয়েছে ওই ক্যাম্পে ৩৬টির বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে মুজাফ্ফরনগরের দুটি জেলাতে বর্ণবাদী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার পর এসব রিলিফ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন আরো ছয় ব্যক্তির মৃত্যুর খবর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই নিয়ে ওই দাঙ্গায় নিহতের সংখ্যা ৫০ জন ছাড়িয়ে গেছে। রিলিফ ক্যাম্পের অব্যবস্থাপনার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জনস্বার্থে একটি সামাজিক সংগঠন সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করার পর রাজ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রিলিফ ক্যাম্পে মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করা হলো। আদালতের দায়ের করা পিটিশনে সামাজিক সংগঠনটি দাবি করেছে প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাবে কমপক্ষ আটটি নবজাত শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। রিলিফ ক্যাম্পে জন্ম সন্তান দেয়ার কারণেই এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষমতাসীন সমাজবাদী পার্টির নেতৃবৃন্দ এসব দাবি অস্বীকার করেছিল। এসব খবর প্রচার করে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্যও তারা মিডিয়াকে দায়ী করেছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের কারণে কর্তৃপক্ষ প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বীকার করে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একতরফা কোন নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিগত ত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় একতরফা নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হওয়ার কোনো নজির নেই। ৮৬ সালের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারির নির্বাচন হতে যাচ্ছিল তাও গ্রহণযোগ্যতা পেত না। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। গতকাল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নাগরিক হিসাবে উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের যায়গা থেকেই প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে একই সুরে কথা বলেছি। আমাদের মূল আহ্বান ছিল একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচনের জন্য সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের বিষয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা স্পষ্ট করেছি। সন্ত্রাস, সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মসূচিগুলো অবস্থার অবনতি ঘটছে তাও আমরা তুলে ধরেছি। আমরা মনে করি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু সমাধানের আগেই নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণা হয়েছে। এটা আমাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনাদেরকে প্রেসিডেন্ট কি আশার বাণী ...
Comments
Post a Comment