বাংলাদেশে বিচারের বাণী এখন নীরবে নিভৃতে নয়, প্রকাশ্যে কাঁদে বলে মন্তব্য করেছের বিএনপির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন। বলেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ৮৬ বছর বয়স্ক এম কে আনোয়ারসহ কয়েকজনের জামিন আবেদন বাতিল হওয়ায় প্রমাণ হয়েছে বিচারের বাণী এখন প্রকাশ্যে কাঁদে। আজ দুপুরে নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ক্রসফায়ারে ছাত্রলীগ নেতা হত্যার বিষয়ে রিপন বলেন, এ বিষয়ে ছাত্রলীগ বলছে, এটা মেনে নেয়া যায় না। অপরদিকে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অ্যাকশন শুরু হয়েছে। বিএনপির নেতাদের ক্রসফায়ারে হত্যা করলে ছাত্রলীগ ও সরকারের কিছুই যায় আসে না। আর সরকারি দলের কেউ ক্রসফায়ারে হত্যা শিকার হলে সরকারের যায় আসে। কিন্তু এক যাত্রার দুই নীতি মেনে নেয়া যায় না। ছাত্রলীগ নেতাদের ক্রসফায়ারে হত্যা বিএনপিও সমর্থন করে না বলে জানান তিনি। যোগাযোগমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়য়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সরকার স্বীকার করেছে ক্রসফায়ার তারাই করাচ্ছে। সরকার আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে দেশের সব সমস্যার সমাধান করতে চাচ্ছে। সরকারকে উদ্দেশে ড. রিপন বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সামাল নিয়ন্ত্রণ করুন। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করুন। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। ক্রসফায়ার সব সমস্যার সমাধান নয়। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একতরফা কোন নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিগত ত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় একতরফা নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হওয়ার কোনো নজির নেই। ৮৬ সালের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারির নির্বাচন হতে যাচ্ছিল তাও গ্রহণযোগ্যতা পেত না। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। গতকাল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নাগরিক হিসাবে উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের যায়গা থেকেই প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে একই সুরে কথা বলেছি। আমাদের মূল আহ্বান ছিল একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচনের জন্য সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের বিষয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা স্পষ্ট করেছি। সন্ত্রাস, সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মসূচিগুলো অবস্থার অবনতি ঘটছে তাও আমরা তুলে ধরেছি। আমরা মনে করি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু সমাধানের আগেই নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণা হয়েছে। এটা আমাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনাদেরকে প্রেসিডেন্ট কি আশার বাণী ...
Comments
Post a Comment