Skip to main content

মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা শুরু

মাসব্যাপী ২৪তম ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি বাণিজ্য মেলা-২০১৯ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা কয়েকদিন পিছিয়ে দেয়া হয়েছিলো। সাধারণত প্রতি বছর পহেলা জানুয়ারি থেকে শুরু হয় এ মেলা।
এবার ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দর্শনার্থীরা বাণিজ্য মেলা পরিদর্শন ও কেনাকাটা করার সুযোগ পাবেন। এবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট প্যাভিলিয়ন রয়েছে ১১০টি। মোট মিনি প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৮৩টি ও স্টল রয়েছে ৪১২টি। মেলার মাঠের আয়তন ৩১ দশমিক ৫৩ একর। মেলায় প্রবেশে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকেটের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা।
এবার অনলাইনের মাধ্যমেও টিকেট পাবেন দর্শনার্থীরা।
২৪তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ২২টি দেশ থেকে ৫২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র,আফ্রিকা, হংকং, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য নিয়ে হাজির হয়েছে এ মেলায়। এবারের মেলাকে কেন্দ্র করে রাখা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১০০টি ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি বহাল রাখবেন। অন্যদিকে আরো রয়েছে ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। কন্ট্রোল রুম থেকে সিসিটিভির মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরে রাখবেন দায়িত্বরতরা। সাদা পোশাকেও থাকবেন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় পুরুষ ও নারীদের জন্য ১২টি স্পটে ২৪টি ব্লকে টয়লেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশুদের বিনোদনেরজন্য রাখা হয়েছে ২টি শিশুপার্ক। তাছাড়া মা ও শিশুদের জন্য রয়েছে দুইটি কেন্দ্র। মেলায় এসে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য প্রাইমারি একটি হেলথ সেন্টারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে দর্শনার্থীরা নিবিঘেœ আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গন আগামী এক মাস পরিদর্শন ও ইচ্ছামতো কেনাকাটা করতে পারবেন বলে মনে করছে আয়োজক ইপিবি।

Comments

Popular posts from this blog

‘প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও নৈতিক ক্ষমতা আছে’

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একতরফা কোন নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিগত ত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় একতরফা নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হওয়ার কোনো নজির নেই। ৮৬ সালের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারির নির্বাচন হতে যাচ্ছিল তাও গ্রহণযোগ্যতা পেত না। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। গতকাল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নাগরিক হিসাবে উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের যায়গা থেকেই প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে একই সুরে কথা বলেছি। আমাদের মূল আহ্বান ছিল একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচনের জন্য সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের বিষয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা স্পষ্ট করেছি। সন্ত্রাস, সংঘর্ষ ও সহিংস কর্মসূচিগুলো অবস্থার অবনতি ঘটছে তাও আমরা তুলে ধরেছি। আমরা মনে করি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু সমাধানের আগেই নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণা হয়েছে। এটা আমাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনাদেরকে প্রেসিডেন্ট কি আশার বাণী ...

বিএনপিকে নির্মূল করতে মরিয়া সরকার: ফখরুল

বিএনপিকে নির্মূল করতে সরকার মরিয়া বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে ফখরুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলায় ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ গতকাল আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনবিচ্ছিন্ন আওয়ামী সরকার বিএনপিসহ দেশের বিরোধী দলগুলোকে নির্মূল করে একদলীয় দু:শাসনকে দীর্ঘায়িত করতেই নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ উদ্ভট, মনগড়া ও ভিত্তিহীন মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পুরে রাখছে। মূলত: শাসকগোষ্ঠী বিভিন্ন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপিকে নির্মূল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল  কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলেই গতকাল তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মির্জা ফখরুল অবিলম্বে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এর বিরু...

অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিন- রাজনীতির নামে নৃশংসতা

যাত্রীসমেত বাসে পেট্রলবোমা মেরে ১৯ জন মানুষকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা যে রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে না, এটা কে না জানে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা যেন এ রকমই! এ দেশের মানুষের জীবনযাপন আজ এভাবেই জিম্মি হয়ে পড়েছে নৃশংস রাজনৈতিক কৌশলের হাতে। ১৮-দলীয় জোটের তিন দিনের অবরোধের শেষ দিন গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে একটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের ঘটনাটির নিন্দা এবং ধিক্কার জানানোর ভাষা খুঁজে পাওয়া কঠিন। নিরীহ ১৯ জন মানুষ, যাঁদের দুজন ইতিমধ্যে মারা গেছেন, আরও কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের এবং তাঁদের স্বজনদের প্রতি জানাই সান্ত্বনা ও সমবেদনা। পেট্রলবোমার শিকার হওয়া বাসটি যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সহিংসতার একটি মডেল। সেটিতে বাসচালক ও তাঁর সহযোগী ছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ—ছাত্র, ব্যাংকের কর্মকর্তা, পুলিশের কনস্টেবল, সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। তাঁরা কাজ শেষে ঘরে ফিরছিলেন। কী অপরাধ ছিল তাঁদের? কেন এই নৃশংসতার শিকার তাঁদের হতে হলো? এমন নৃশংসতার ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছে সারা দেশের মানুষ। বিরোধী দলের তিন দিনের অবরোধে না...